সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জট অবশেষে খুলতে শুরু করেছে। দীর্ঘ দুই মাস স্থবির থাকার পর চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীর পুলিশ ভেরিফিকেশন শুরু হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে নির্দেশনা পাওয়ার পর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসগুলো নির্বাচিত প্রার্থীর তথ্যসংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পাঠিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এই ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে।
শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফল গত ৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হলেও যোগদানপ্রক্রিয়া ঝুলে থাকায় প্রার্থীরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিলেন। সম্প্রতি পুলিশ ভেরিফিকেশনের এই কার্যক্রম শুরু হওয়ায় চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
মাঠপর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও, ফরিদপুরসহ দেশের প্রায় সব জেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকেই নির্বাচিত প্রার্থীদের ফাইল পুলিশ সুপারের দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, আটকে থাকা ১৪ হাজারের বেশি প্রার্থীকে অতি শিগগির নিয়োগ দেওয়া হবে। মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, ‘কাউকেই বাদ দেওয়া হবে না।’ তবে নিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু শর্তের ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, যোগদানের পর শিক্ষকদের প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণকেন্দ্রে (পিটিআই) পাঠানো হবে। সেখানে প্রশিক্ষণে অকৃতকার্য হলে তাঁরা শিক্ষক হতে পারবেন না। এ ছাড়া সরকারি বিধি অনুযায়ী দুই বছর সাফল্যের সঙ্গে চাকরি সম্পন্ন করলে তাঁদের স্থায়ী করা হবে।



















