জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেছেন, কোন জাতীয় মুক্তি আন্দোলনের স্মৃতি শুধুমাত্র তাতে অংশগ্রহণকারীদের স্মৃতিতেই টিকে থাকতে পারে না। আন্দোলনের আদর্শ বাঁচিয়ে রাখতে তার ইতিহাস বই, কবিতা, গল্প, গান, নাটক, সিনেমা ও চলচ্চিত্রের মাধ্যমে নথিভুক্ত করা প্রয়োজন।
শিক্ষায় জুলাই উত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণ
উপাচার্য বলেছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে জুলাই উত্থানের শহিদদের গল্প ও তাদের পরিবারের অভিজ্ঞতা সংরক্ষণ করতে হবে। বিশেষ করে শহিদ শাহরিয়ার খান আনাসের গল্প, যিনি জুলাই উত্থানে যোগ দেওয়ার আগে তার মাকে একটি স্নেহপূর্ণ চিঠি লিখেছিলেন।
তিনি বলেছেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে জীবন উৎসর্গ করা শ্রেষ্ঠ মরণ হতে পারে, যখন নির্মমতায় চুপ থাকা। এই গল্পগুলো আগামী প্রজন্মকে অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধে অনুপ্রাণিত করতে পারে।
উপাচার্য বলেছেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ দ্বারা প্রকাশিত 'জাগরণ' গ্রন্থটি একটি মূল্যবান ঐতিহাসিক নথিপত্র। এটি শুধুমাত্র আজকের জন্য পড়া হবে না, ২০ বা ৩০ বছর পর অনেকে বাকি থাকলেও এটি ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ড হিসাবে কাজ করবে এবং দেশের জন্য ত্যাগ করা শহিদদের স্মৃতিকে তাজা রাখবে।
সংস্কৃতির মাধ্যমে ইতিহাস সংরক্ষণ
উপাচার্য জুলাই উত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেছেন, গান, সাহিত্য ও সৃজনশীল কাজ তৈরি করা উচিত যা এই উত্থানের স্মৃতিকে টিকিয়ে রাখবে।






























