বন্যায় পানিবাহিত পলি সঞ্চিত হয়ে নদীতীরে যে ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, তা–ই প্লাবন সমভূমি।
বরেন্দ্রভূমির মৃত্তিকা লালচে বর্ণের কারণ
বরেন্দ্রভূমির মৃত্তিকা জারিত ও লৌহ উপাদান মিশ্রিত বলে তা লালচে বর্ণের হয়। প্লাইস্টোসিনকালে (আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বে) গঠিত বরেন্দ্রভূমির মৃত্তিকা তৎকালে পলল সঞ্চয়ে গঠিত। প্লাইস্টোসিনকালের শেষ বরফ যুগের সমাপ্তিলগ্নে এখানে যে পলল সঞ্চিত হয়, তা মধুপুর কর্দম নামে পরিচিত। জারিত আঠালো ও দৃঢ় এ কর্দম লৌহ উপাদান মিশ্রিত। উপরন্তু এ অঞ্চলের মৃত্তিকা প্লাবিত হয় না। এ কারণেই বরেন্দ্রভূমির মৃত্তিকা লালচে বর্ণের।
মালভূমি গঠনের কারণ
উদ্দীপকে উল্লেখিত ভূমিরূপটি মালভূমি। মালভূমি গঠনের নানান কারণ রয়েছে। ভূ-আন্দোলন ও পাত সঞ্চালন, ভূপৃষ্ঠের ক্ষয়প্রক্রিয়া, লাভা সঞ্চয়, মরু মালভূমি এবং তুষার মালভূমি গঠনের কারণ।
মালভূমির শ্রেণিবিভাগ
মালভূমি তিন ধরনের হয়ে থাকে: পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি, পাদদেশীয় মালভূমি এবং মহাদেশীয় মালভূমি।




















