ঢাকা অতিরিক্ত প্রধান মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এমডি জাকির হোসেন আদেশ দিয়েছেন অধ্যাপক কালিমুল্লাহকে গ্রেফতারি হাজির দেখানোর। পুলিশ অধ্যাপক কালিমুল্লাহকে আদালতে উপস্থাপন করে তাকে গ্রেফতারি হাজির দেখানোর জন্য আবেদন করেছিল। আদালত পরে তাকে আবার জেলে পাঠিয়েছে।
উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টর এমডি আবু সাঈদ ২৮ জুলাই অধ্যাপক কালিমুল্লাহকে গ্রেফতারি হাজির দেখানোর আবেদন দাখিল করেছিলেন। আদালত আজ আসামির উপস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে শুনানির জন্য সময় নির্ধারণ করেছিল।
মামলায় উল্লেখ আছে, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে শিক্ষার্থীদের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন মুস্তাইন বিল্লাহ সাব্বির। ১৯ জুলাই ২০২৪ তারিখে রাত্রে উত্তরার রবীন্দ্র সরণিতে বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থী ও জনসাধারণের উপর আসামিরা অগ্ন্যস্ত্র ও মারক অস্ত্র নিয়ে অকারণে আক্রমণ চালায়। এ আক্রমণে সাব্বিরের বাম কনুইয়ের মধ্যভাগে একটি বুলেট আঘাত হানে, যার ফলে তিনি গুরুতর আহত হন। এই ঘটনায় আরও কয়েকজন ব্যক্তি বুলেটের আঘাতে আহত হন।
স্থানীয় লোকেরা সাব্বিরকে উদ্ধার করে উত্তরা হাই কেয়ার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে তাকে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ট্রমাটোলজি অ্যান্ড অর্থোপেডিক রিহ্যাবিলিটেশন (নিটর)-এ উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর করা হয়। এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে নিজেই মামলা দায়ের করেন মুস্তাইন বিল্লাহ সাব্বির। মামলাটি উত্তরা পশ্চিম থানায় ১৪ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে দায়ের করা হয়।
অধ্যাপক ডঃ নজমুল আহসান কালিমুল্লাহকে ৭ আগস্ট ২০২৫ তারিখে তার মোহাম্মদপুর বাসভবন থেকে গ্রেফতার করা হয় এবং তখন থেকেই তিনি জেলে রয়েছেন।
এই খবর দেশের শিক্ষা খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি শিক্ষা প্রশাসন ও আইন ব্যবস্থার উপর আলোকপাত করেছে।






























