বাসাইল উপজেলায় ডালিম চাষের মাধ্যমে আলামিন একটি সফল উদ্যোগ গড়ে তুলেছেন। মায়ের ক্যান্সার চিকিৎসার সময় ডাক্তারের পরামর্শে তিনি ছাদে ডালিম চাষ শুরু করেন। তিনি বর্তমানে ২৬টি বিভিন্ন জাতের ৬০টি পরিপক্ক ডালিম গাছ চাষ করছেন।
প্রতি বছর আলামিন ডালিম ও ডালিমের গ্রাফ্টেড স্যাপলিং বিক্রি করে ১০ লক্ষ টাকা আয় করেন। তার ছাদে বিভিন্ন রঙের ডালিম গাছ দেখা যায়, যা স্থানীয়দের অনুপ্রাণিত করেছে।
কিভাবে শুরু হয়েছিল ছাদের ডালিম চাষ?
২০২৩ সালে আলামিনের মা ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। ডাক্তার ডালিম খাওয়ার পরামর্শ দেন কিন্তু বাজারের উচ্চ দামের কারণে আলামিন কিনতে পারেননি। তাই তিনি নিজের ছাদে ডালিম চাষ শুরু করেন।
কীভাবে আলামিন তার উদ্যোগকে সাফল্যে পরিণত করেছেন?
আলামিন নিয়মিত যত্ন, সময়মতো সার প্রয়োগ এবং নিয়মিত সেচের মাধ্যমে তার বাগান সম্প্রসারিত করেছেন। তার ছাদে ডালিম ছাড়াও আঙ্গুর, কমলা এবং মালতা চাষ করেন।
কীভাবে আলামিন অন্যদের অনুপ্রাণিত করেছেন?
স্থানীয় মানুষ বলেছেন যে আলামিনের সাফল্য তাদের অনুপ্রাণিত করেছে এবং অনেকে ডালিম চাষ শুরু করেছেন। তার ফেসবুক পেজের মাধ্যমে তিনি ডালিম ও স্যাপলিং বিক্রি করেন এবং ছাদে ডালিম চাষের জন্য প্রযুক্তিগত উপদেশ দেন।





























