সরকার আগামী মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রবাসী কার্ড (Expatriate Card) এর পাইলট প্রকল্প চালু করবে। প্রথম পর্যায়ে রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংক প্রবাসী ডেবিট কার্ড জারি করবে। প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমানের নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব শহীদ হোসেন শাদ্দ বলেন, প্রবাসী কার্ড চালু করা সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ।
প্রবাসীদের বিভিন্ন সুবিধা
প্রবাসী কার্ড চালু করার উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশী প্রবাসীদের সামাজিক মর্যাদা ও ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি, আর্থিক উত্সাহ ও দ্বৈত-মুদ্রা কার্ডের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট ও ব্যাংকিং পরিষেবা নিশ্চিত করা। কার্ডধারীরা বিভিন্ন সুবিধা উপভোগ করবে, যার মধ্যে রয়েছে বিনামূল্যে বিমানবন্দর লাউঞ্জ অ্যাক্সেস, ডিডিকেটেড বুথের মাধ্যমে দ্রুত ইমিগ্রেশন পরিষেবা, বিমানবন্দরে মিট-অ্যান্ড-গ্রিট পরিষেবা, বিমান টিকিট ও হোটেল বুকিংয়ে ছাড় এবং গাড়ি বুকিংয়ের সুবিধা।
সরকারের উদ্যোগ ও লক্ষ্য
সরকার ডিসেম্বর মাসের মধ্যে ৫০,০০০ টি প্রবাসী কার্ড বিতরণ করার লক্ষ্য নিয়েছে এবং আগামী বছরের জুন মাসের মধ্যে ২০০,০০০ কার্ড বিতরণ করবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে সমস্ত প্রবাসী কার্ড সংক্রান্ত কার্যক্রম প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। প্রধানমন্ত্রী সমস্ত বাংলাদেশী প্রবাসীকে প্রবাসী কার্ড প্রকল্পের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন।





























