বরিশালের ওয়াজিরপুর উপজেলা প্রশাসন একটি খাল পুনর্খনন প্রকল্পে অব্যয় ৬০,৮২,৪০৩ টাকা রাষ্ট্র কোষাগারে ফিরিয়ে দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও রাজনৈতিক নেতারা এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন।
প্রকল্পের বিবরণ
ওয়াজিরপুর উপজেলায় দশেরহাট বাজার থেকে শুরু করে গুটিয়া বাইতুল আমান জামে মসজিদ কমপ্লেক্স এবং পাঁচগ্রাম বাজার হয়ে গুটিয়া বাজার পর্যন্ত একটি খাল পুনর্খননের জন্য মোট ২,৫৭,৫২,৭৭৫ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। প্রকল্পটি ২০২৪ সালের এপ্রিলে শুরু হয়ে এই বছরের ৩০ জুন শেষ হয়েছে। কাজ শেষ হওয়ার পর বরাদ্দকৃত অর্থের মধ্যে ৬০,৮২,৪০৩ টাকা অব্যয় থেকে যায়, যা উপজেলা প্রশাসন রাষ্ট্র কোষাগারে জমা দিয়েছে।
স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া
খালটি দীর্ঘদিন ধরে নৌচলাচলের জন্য অপযোজ্য ছিল, যার ফলে জলপ্রবাহ ব্যাহত হয়ে বর্ষায় জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মৌসুমে কৃষিকাজে অসুবিধা হত। পুনর্খননের ফলে জলপ্রবাহ পুনরুদ্ধার হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা কৃষি, চারা চাষ এবং স্থানীয় পরিবেশকে উপকৃত করবে। গুটিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা কামরুল বলেছেন, পুনর্খনন জলপ্রবাহ পুনরুদ্ধার করেছে এবং কৃষকদের চারা চাষে সহায়তা করবে, যা ফসল উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।
বরিশাল জেলা কৃষক দলের সভাপতি শফিউল আলম শফরু অব্যয় অর্থ রাষ্ট্র কোষাগারে ফেরত দেওয়ার উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেছেন, সরকারি অর্থ অপচয় হয়নি বলেই ভালো হলেও, সামাজিক কল্যাণে এই অর্থ ব্যবহার করা হলে আরও ভালো হত। ওয়াজিরপুর উপজেলা ইউনিটের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতারা এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেছেন, সরকারি অর্থ জনসাধারণের অর্থ এবং এটি যথাযথভাবে ব্যবহার করা উচিত।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মোশাররফ হোসেন বলেছেন, সরকারি নির্দেশনা এবং প্রকল্পের নকশা অনুসারে কাজ সম্পন্ন হয়েছে। "সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে খালের নৌচলাচল পুনরুদ্ধারে। আশা করি স্থানীয় কৃষক এবং বাসিন্দারা দীর্ঘদিন এই প্রকল্পের উপকারিতা পাবেন।"




























