রাশিয়া ন্যাটো সম্মেলনের আগে কিয়েভে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করে কমপক্ষে ১৮ জন মানুষের মৃত্যু ঘটিয়েছে। রাষ্ট্রপতি ভোলোদিমির জেলেনস্কি জোটকে ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার জন্য 'শক্তিশালী সিদ্ধান্ত' নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নও ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার দাবি জানিয়েছে।
আক্রমণের বিবরণ
সোমবার সকালে রাশিয়া কিয়েভের একটি বহুতল অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করে কমপক্ষে ১৮ জন মানুষের মৃত্যু ঘটিয়েছে। এটি এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার রাশিয়ার এই রকম আক্রমণ। রাষ্ট্রপতি জেলেনস্কি জোটকে ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার জন্য 'শক্তিশালী সিদ্ধান্ত' নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
রাশিয়ার আক্রমণে কিয়েভের একটি বহুতল অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের উপরের তলাগুলো ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। এএফপি সাংবাদিকরা রাতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের অ্যালার্ট চলাকালীন ১০টিরও বেশি বিস্ফোরণ শুনতে পেয়েছেন।
রাষ্ট্রপতির আহ্বান
রাষ্ট্রপতি জেলেনস্কি জোটকে ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার জন্য 'শক্তিশালী সিদ্ধান্ত' নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, 'এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে বিশ্ব - প্রথমত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং আমাদের ইউরোপীয় অংশীদাররা - ন্যাটো সম্মেলন থেকে শক্তিশালী সিদ্ধান্ত নিয়ে আসবে যা আমাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সমর্থন করবে এবং সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষা করবে।'
ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিক্রিয়া
ইউরোপীয় ইউনিয়নও ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার দাবি জানিয়েছে। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডার লেয়েন বলেছেন, আক্রমণ দেখিয়েছে যে ইউক্রেনকে 'জরুরিভাবে' আরও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজন রয়েছে এবং এটি ন্যাটো সম্মেলনে আলোচনা করা হবে।
রাশিয়ার দাবি
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বলেছে যে 'বিশাল আক্রমণ' মিসাইল ও ড্রোন ব্যবহার করে ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে 'সামরিক-শিল্প উদ্যোগ', জ্বালানি ও শক্তি জটিল ব্যবস্থাগুলোকে লক্ষ্য করেছে। রাশিয়ার সেনাবাহিনী বলেছে যে তারা রাতারাতি ৫০০টিরও বেশি ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করেছে।
সংঘাতের পটভূমি
ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে চলমান যুদ্ধের ফলে উভয় পক্ষই আরও আক্রমণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে যুদ্ধ শেষ করার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। হোয়াইট হাউস বলেছে যে ট্রাম্প ন্যাটো সম্মেলনের সময় জেলেনস্কির সাথে দেখা করবেন এবং যুদ্ধ শেষ করার জন্য কূটনৈতিক চেষ্টাকে জোরদার করার চেষ্টা করবেন।





























