মির্জাপুরে এ মাসে শিল্প পুলিশের নতুন ইউনিট চালু হবে বলে জানিয়েছেন শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত পরিদর্শক জেনারেল গাজী জসিম উদ্দিন। তিনি বলেন, দ্রুত বিস্তৃত হচ্ছে এমন শিল্প অঞ্চলে আরও নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ইউনিট চালু হবে। নতুন ইউনিটের জন্য সরকার ১৬০ জন পুলিশ ব্যক্তিকে বরাদ্দ করেছে।
শিল্প পুলিশের প্রসারের অংশ নতুন ইউনিট
শিল্প পুলিশের প্রসারের অংশ হিসেবে দেশের প্রধান শিল্প অঞ্চলগুলোতে শ্রম আইন কার্যকর করা, শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও শিল্প নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা এই নতুন ইউনিটের লক্ষ্য। শিল্প পুলিশ ২০১০ সালের ৩১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল শিল্প অঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে, শ্রমিক ও বিনিয়োগকারীদের রক্ষা করতে এবং নিরাপদ, স্থিতিশীল ও উৎপাদন বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে।
শিল্প পুলিশের বর্তমান অবস্থা
শিল্প পুলিশের বর্তমানে প্রায় ৩,৫০০ জন ব্যক্তি রয়েছে যা অনুমোদিত শক্তি ৪,২০০ জনের তুলনায় কম। শিল্প পুলিশের নয়টি ইউনিটের মধ্যে চারটি পূর্ণাঙ্গ ইউনিট কাজ করছে আশুলিয়া-সাভার, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ এবং চট্টগ্রামে। খুলনা, সিলেট, কুমিল্লা এবং ময়মনসিংহে অতিরিক্ত ইউনিট কাজ করছে।
প্রস্তাবিত নতুন ইউনিট ও অফিস
শিল্প পুলিশের অপারেশনাল ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বাংলাদেশ পুলিশ পাঁচটি নিবেদিত শিল্প পুলিশ লাইন স্থাপনের প্রস্তাব করেছে আশুলিয়া-সাভার, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম এবং ময়মনসিংহে। শিল্প পুলিশের হেডকোয়ার্টার উত্তরায় ভাড়া নেওয়া অফিসে কাজ করছে ২০১০ সাল থেকে। অফিসিয়ালরা বিশ্বাস করেন স্থায়ী হেডকোয়ার্টার প্রয়োজন অপারেশনাল দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বাহিনীর বিস্তৃত দায়িত্ব পূরণের জন্য।
উত্তর বাংলায় শিল্প পুলিশের প্রসার
শিল্প পুলিশ উত্তর বাংলায় তার উপস্থিতি বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা করছে, বিশেষ করে রংপুর এবং নীলফামারীতে যেখানে শ্রম অশান্তি পর্যায়ক্রমে শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রভাবিত করে। বগুড়ায় একটি পৃথক শিল্প পুলিশ ইউনিট স্থাপনের প্রস্তাব পেয়েছে তবে এখনও সরকারের অনুমোদন পায়নি।





























