ঢাকা বিশেষ জজ আদালত-৯ রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় ২৭ কাঠা সরকারি জমি দখলের অভিযোগে সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত করেছে। বিচারক মোঃ আব্দুস সালাম আদেশ জারি করেন, যা দিয়ে বিচারিক পদক্ষেপ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। আদালত ২০২৬ সালের ১৯ আগস্ট তারিখ নির্ধারণ করেছে সাক্ষীদের বিবৃতি নথিভুক্ত করার জন্য।
অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন রাজুক চেয়ারম্যান হুমায়ূন খাদেম, প্রাক্তন রাজুক প্রকৌশলী এম আজিজুল হক, প্রাক্তন রাজুক সদস্য (এস্টেট) লেঃ কর্নেল (অবঃ) এম নুরুল হক, প্রাক্তন রাজুক পরিচালক আব্দুর রহমান ভূঁইয়া, প্রাক্তন রাজুক ডেপুটি ডিরেক্টর (এস্টেট) এমদ আজহারুল ইসলাম, প্রাক্তন রাজুক সুপারিনটেনডেন্ট এমদ হাবিব উল্লাহ, প্রাক্তন হাউজিং ও পাবলিক ওয়ার্কস মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব আব্দুস সোবহান, প্রাক্তন সেকশন সহকারী এমদ মাহবুবুল হক এবং কক্সবাজারের রামু থেকে দুই ভাই-মীর মোহাম্মদ হাসান এবং মীর এমদ নুরুল আফসার।
বিরোধী দলীয় চেয়ারম্যান হিসেবে রাজুকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার পর বিরোধী দলীয় চেয়ারম্যান হিসেবে রাজুকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার পর ২০২৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি তারিখে বিরোধী দলীয় চেয়ারম্যান হিসেবে রাজুকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। বিরোধী দলীয় চেয়ারম্যান হিসেবে রাজুকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার পর ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর তারিখে মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
সালাম মুর্শেদী ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর গ্রেপ্তার হন এবং তখন থেকে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার পটভূমি
সরকারি জমি দখলের অভিযোগে বিরোধী দলীয় চেয়ারম্যান হিসেবে রাজুকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার পর ২০২৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি তারিখে মামলা দাখিল করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর তারিখে মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলাটি বিরোধী দলীয় চেয়ারম্যান হিসেবে রাজুকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার পর ২০২৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি তারিখে দাখিল করা হয়েছিল।




























