জাপান ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দূরবর্তী দ্বীপের কাছে সমুদ্রতল থেকে বিরল মূল্যবান খনিজ খননের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা চালাবে। এর আগে একটি গভীর সমুদ্র ড্রিলিং জাহাজ ছয় কিলোমিটার গভীরে থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছিল, যার মধ্যে ইট্রিয়ামের অস্তিত্ব রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী সানাই তাকাইচি বলেছেন যে, ইট্রিয়াম সেমিকন্ডাক্টার উৎপাদন সরঞ্জাম, বায়ু দূষণ কমানোর জন্য ক্যাটালাইজার এবং অটোমোবাইল শিল্পে ব্যবহৃত হয়। তিনি বলেছেন, 'এই সাফল্যের ভিত্তিতে আমরা আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে একটি পূর্ণাঙ্গ খনন পরীক্ষা চালাবো।'
জাপান চায় নির্দিষ্ট দেশের উপর অত্যধিক নির্ভর না করে সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি করতে। জাপান এজেন্সি ফর মেরিন-আর্থ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (জামস্টেক) বলেছে যে, ৫০ টন সমুদ্রতল উপাদান থেকে গ্যাডোলিনিয়াম এবং ডিসপ্রোসিয়ামও পাওয়া গেছে।
পরিবেশবাদীরা গভীর সমুদ্র খনন মেরিন বাস্তুতন্ত্রের জন্য হুমকি হিসেবে দেখে। চীন বিশ্বের বিরল মূল্যবান খনিজ খননের দুই-তৃতীয়াংশ এবং পরিশোধিত উৎপাদনের ৯২ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে।





























