নিটসহ বিভিন্ন সর্বভারতীয় পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস কেলেঙ্কারির জন্য কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার সকাল থেকেই দলে দলে তেলাপোকা সমর্থক যন্তর মন্তরে হাজির হন।
যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন থেকে দেশে ফিরেই সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ এসে পৌঁছান ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তেলাপোকাদের সমাবেশ আটকাতে দিল্লি হাইকোর্টে এক জনস্বার্থ মামলা করা হয়েছিল।
মামলাকারীদের দাবি ছিল, তেলাপোকাদের সমাবেশ ঠেকাতে দিল্লির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, রেলস্টেশন, মেট্রোস্টেশন ও জাতীয় সড়কের প্রবেশপথগুলোতে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। সেই মামলার জরুরি শুনানি গ্রহণের আবেদন শুক্রবারই খারিজ হয়ে যায়। তারপরই শনিবার দিল্লি পুলিশ জানায়, শান্তিপূর্ণ সমাবেশে কোনো বাধা নেই।
যন্তর মন্তরের এক ধারে ছোট এক মঞ্চ গড়ে তোলা হয়েছিল। তার পেছনে এক প্ল্যাকার্ডে সিজেপির প্রতীকের নিচে ইংরেজিতে লেখা ‘পিসফুল প্রটেস্ট’ বা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ। সেই মঞ্চে উঠে অভিজিৎসহ তরুণরা স্লোগান দিতে থাকেন, ‘ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দো’, ‘জয় ভীম’, ‘বন্দে মাতরম’ ও ‘গোদি মিডিয়া চোর হ্যায়’।
মঞ্চে উঠে অভিজিৎ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে স্লোগান দেওয়া ছাড়াও সংক্ষিপ্ত ভাষণ দেন। তিনি বলেন, দেশের যুবসমাজ আর ভয় পাবে না। তারা লড়বে। তেলাপোকা ভয় পায় না, মরেও না।
শনিবারের সমাবেশের মধ্যেই শোনা যায়, সিজেপির দ্বিতীয় বড় সমাবেশ হবে দিল্লির রামলীলা ময়দানে। আগামী ২৩ জুন।
বহু সাধারণ মানুষও এই সমাবেশে উপস্থিত হয়েছেন। তাঁদের কেউ কেউ গণমাধ্যমকে বলেন, এই আন্দোলন দেশের যুব সম্প্রদায়ের মঙ্গলের জন্য।



















