ডেঙ্গু মহামারীকে জাতীয় জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত বলে পাবলিক হেলথ এক্সপার্ট ডাঃ মুস্তাক হোসেন আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধের লড়াই শুধুমাত্র হাসপাতাল থেকে নয়, বরং বাড়ি, পাড়া, স্কুল, কর্মক্ষেত্র এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের সহযোগিতায় সম্পন্ন করা উচিত।
ডাঃ মুস্তাক বলেছেন, রোগীদের দ্রুত চিহ্নিত করা, ঝুঁকিপূর্ণ মানুষকে সুরক্ষিত করা এবং গরীব রোগীদের জন্য সামাজিক সহায়তা নিশ্চিত করা হলে ডেঙ্গু থেকে মৃত্যু এবং দুর্ভোগ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা যাবে। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, মহামারী থেকে মুক্তি পেতে এডিস মশার প্রজনন স্থান ধ্বংস করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ডাঃ মুস্তাক বলেছেন, মৌসুমি বৃষ্টির পর প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে যাতে দেশটি ধীরে ধীরে ডেঙ্গু মহামারী থেকে মুক্ত হতে পারে। তিনি বলেছেন, বৃষ্টির পর অপরিহার্য পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, কারণ বৃষ্টির পর মশা নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেয় এবং বৃষ্টি থমতেই তারা সক্রিয় হয়ে ওঠে।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা হলো মানুষ এখনও মূলত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরই সক্রিয় হয়। তিনি বলেছেন, মহামারীর শেষ পর্যায়েই ব্যবস্থা নেওয়ার প্রবণতা রয়েছে, যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ নয়। ডাঃ মুস্তাক বলেছেন, রোগীকে সেই গুরুতর অবস্থায় পৌঁছানোর আগেই তাকে চিহ্নিত করা এবং যথাযথ পরামর্শ দেওয়া উচিত।






























