চীনের সি919 বিমানটি বুধবার বিশ্বের বিমান বাজারে তার স্থান দাবির লক্ষ্যে মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলান্নবাতরে উড়ে গিয়েছে। এই ন্যারো-বডি বিমানটি বায়ুবাহি 737 বা এয়ারবাসের এ320 এর মতো বিমানের সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। তবে এখনো এই বিমানটি মার্কিন বা ইউরোপীয় নিয়মকানুনের অনুমোদন লাভ করতে পারেনি।
চীনের রাজধানী বেইজিং থেকে বিমানটি তার প্রথম আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক ফ্লাইটে বেরিয়েছে। বিমানটি বেইজিং থেকে মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলান্নবাতরে উড়ে গিয়েছে। বেইজিং থেকে বিমানটি বিকেল ৩:১৭ মিনিটে (০৭১৭ জিএমটি) বেরিয়েছিল এবং মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলান্নবাতরে বিকেল ৪:৫৮ মিনিটে (০৮৫৮ জিএমটি) অবতরণ করেছে।
এই বিমানটি চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক বিমান নির্মাণ সংস্থা কমার্শিয়াল এয়ারক্রাফ্ট কর্পোরেশন অব চায়না (কোমাক) তৈরি করেছে এবং এয়ার চায়না চালানোর কাজ করছে। যাত্রীদের মধ্যে একজন যাত্রী হু ইউয়ান বলেছেন যে তিনি একটি আন্তর্জাতিক যাত্রায় নিজস্ব দেশের বিমানে উড়তে গিয়ে এক ধরনের গর্বের অনুভূতি করছেন।
চীন এই স্বদেশী বিমানটি নির্মাণ করে বিদেশি প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীলতা কমানোর লক্ষ্যে এটি ব্যবহার করবে এবং বিশ্ব বাজারে তার স্থান দাবির লক্ষ্যে এটি চালু করবে। কমাক এই বিমানটিকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এয়ারশোতে প্রদর্শন করেছে।
সি919 বিমানটি মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলান্নবাতর এবং চীনের রাজধানী বেইজিংের মধ্যে একটি দৈনিক রাউন্ড-ট্রিপ ফ্লাইট চালাবে। এই বিমানটি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এয়ারশোতে প্রদর্শিত হয়েছে।





























