কাজাখস্তানের দক্ষিণাঞ্চলের শুষ্ক ভূমিতে বৃষ্টি আনার জন্য একটি ছোট বিমান উড়ে গেছে। গুরুতর খরা এবং জলের ঘাটতির মোকাবিলায় দেশটি মেঘ বীজরোপণ পদ্ধতি গ্রহণ করছে। এই পদ্ধতিটি মধ্য এশিয়ায় প্রথমবারের মতো ব্যবহৃত হচ্ছে।
বিমানটি বিশেষভাবে মেঘ বীজরোপণ ফ্লেয়ার সিস্টেম দিয়ে সজ্জিত। বিমানের ডানার উপর স্থাপিত কার্তুজগুলোতে একটি পদার্থ থাকে যা মেঘের ফোঁটাগুলোর সাথে আটকে যায়, যা তাদের পর্যাপ্ত পরিমাণে ভারী করে বৃষ্টি হিসাবে পড়তে বাধ্য করে।
কাজাখ কর্তৃপক্ষ দক্ষিণ তুর্কেস্তান অঞ্চলের খরা এবং জলের ঘাটতির প্রভাব হ্রাস করতে মেঘ বীজরোপণের উপর বাজি ধরছে। এই অঞ্চলটি কাজাখস্তানের প্রধান সুতি চাষের অঞ্চল। অঞ্চলটির ৯,১১০ বর্গ কিলোমিটার উর্বর জমি লক্ষ্য করা হচ্ছে, যার ফলে প্রতি বছর প্রায় ৭৫ মিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক উপকার হতে পারে।





























