
ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপে ভয়াবহ ভূকম্পে ৪৮ নিহত, হাজারো মানুষ সহায়তার জন্য অপেক্ষায়
ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপে ৭.৭ মাত্রার ভূকম্পে ৪৮ জন মারা গেছে, হাজারো মানুষ ত্রাণের জন্য অপেক্ষায়।
বিষয়
“ত্রাণ” সম্পর্কিত সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ।

ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপে ৭.৭ মাত্রার ভূকম্পে ৪৮ জন মারা গেছে, হাজারো মানুষ ত্রাণের জন্য অপেক্ষায়।

সুনামগঞ্জের বন্যার মুখে পড়াদের কাছে বিজিবি প্রধান ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা বিতরণ করেছেন।

ইন্দোনেশিয়ার সেলয়ার দ্বীপের কাছে নৌকা ডুবে বেঁচে যাওয়া পাঁচজনকে তিন দিন পর ত্রাণ করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের জানানো অনুযায়ী, বন্যা, ভারী বৃষ্টিপাত, পাহাড়ি খাল ও ভূমিধসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সাতটি জেলায় ত্রাণ বণ্টন চলছে নিরবচ্ছিন্নভাবে।

রাজ্যমন্ত্রী মির মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন জোর দিয়েছেন যে, বন্যার আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়ের কাছে ত্রাণ পৌঁছাতে হবে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে।

দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে বন্যা, ভূমিধস ও পাহাড়ের ধসের কারণে উৎপন্ন পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার ত্রাণ কাজ অব্যাহত রেখেছে।

চট্টগ্রামে বন্যার প্রভাবিতদের জন্য অবিচ্ছিন্ন সহায়তা প্রদানের কথা বলেছেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডঃ শহীদ হোসেন সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাত, পাহাড়ি বন্যা এবং জোয়ারের কারণে বন্যার আঘাতে আক্রান্ত দুর্বল পরিবারগুলোর মধ্যে জরুরি খাদ্য সরবরাহ বিতরণ করেছেন।

সরকার সব বন্যাপীড়িতের দুঃখ লাঘব করতে সর্বোচ্চ প্রতিশ্রুতি নিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, শক্তি ও খনিজ সম্পদ রাষ্ট্রমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম আমিত।

সংসদে রাষ্ট্রমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেন বলেছেন, ভূমিকম্প সহ বড় বিপর্যয়ের প্রস্তুতি নেওয়ার ক্ষেত্রে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম শক্তিশালী করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম ও রাঙ্গামাটির বন্যার আঘাতপ্রাপ্ত এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
চট্টগ্রামের বন্যার কষ্ট দূর করতে সরকার চোখ বুজালে কাজ করছে বলে জানান রাষ্ট্রমন্ত্রী মির হেলাল

বিএনপির সিনিয়র সহসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টা রুহুল কাবির রিজভি বন্যার মুখে খাদ্য অভাব নিয়ে সতর্কতা জানিয়েছেন।

কক্সবাজারের জহিলঙ্গা ইউনিয়নে বন্যাপীড়িতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় রাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোনো বন্যার আঘাতপ্রাপ্ত পরিবার ত্রাণ ও পুনর্বাসন থেকে বঞ্চিত হবে না।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, সরকার চট্টগ্রাম পাহাড়ি অঞ্চল, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, সিলেট ও অন্যান্য বন্যাপ্রবণ জেলায় বন্যায় আক্রান্ত মানুষদের পুনর্বাসন, ত্রাণ সহায়তা এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

ঢাকার ডেপুটি কমিশনার ফরিদা খানম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী বন্যার শিকার মানুষের জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণ সংগ্রহ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামে বন্যার আঘাতপ্রাপ্তদের জন্য ত্রাণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করবে সরকার।

চট্টগ্রাম বিভাগে বৃষ্টি, বন্যা ও ভূমিধসের কারণে মৃত্যুর সংখ্যা ৫০-এ পৌঁছেছে, প্রায় ৮০ হাজার বাড়ি এবং শত শত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পরিবহন ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিভাগে বন্যা ও ভূমিধসের কারণে ৮৬৭ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ৪৩ জন মারা গেছে।

প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমান বৃষ্টির কারণে জলপ্লাবিত হওয়া এলাকায় মানুষের জীবন ও সম্পত্তি রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর নজরদারিতে বন্যার বিপর্যয় মোকাবেলার জন্য সমন্বিত জাতীয় প্রচেষ্টা চালু হয়েছে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং পার্বত্য তিন জেলায় বন্যার ত্রাণ ও উদ্ধার কার্য পর্যবেক্ষণের জন্য নিযুক্ত রাষ্ট্রমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বন্যাপীড়িত দূরবর্তী এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দিতে প্রশাসন, কোস্ট গার্ড, বিজিবি, আনসার ও সশস্ত্র বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

সরকার চট্টগ্রাম ও পার্বত্য তিন জেলায় বন্যা দূরীকরণের জন্য রাজ্যমন্ত্রী আনিন্দ্য ইসলাম আমিতকে সমন্বয়কারী করেছে।

প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমান বন্যা ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে বিএনপি নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন।

চট্টগ্রামের মেয়র ডাঃ শাহাদত হোসেন বলেছেন যে, শহরের প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা বন্যার পানি থেকে মুক্ত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডঃ মাহদী আমিন চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর ১০-পয়েন্ট নির্দেশনা বর্ণনা করেছেন।

UN ভেনিজুয়েলায় ভূমিকম্প ত্রাণের জন্য প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার আহ্বান করেছে।
