ঢাকার ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) ফরিদা খানম আজ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী বন্যার শিকার মানুষের জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। তিনি বলেন, খাদ্য, পানীয় জল, চিকিৎসা সেবা, স্যানিটেশন সুবিধা এবং শিশুদের খাবার শিবিরে উপলব্ধ করানোর জন্য সমস্ত সংশ্লিষ্ট বিভাগকে স্বতন্ত্রভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন চব্বিশ ঘণ্টা নজরদারি বজায় রেখে নিশ্চিত করছে যে, বন্যায় আক্রান্ত কোনও পরিবার সহায়তা থেকে বঞ্চিত হবে না।
ঢাকা ডিসি রাজধানীর ভাষান্তেক এলাকার ধামলকোট হাই স্কুলে বন্যার শিকার মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করার সময় এই মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসন খাদ্যের অভাবে কারও ভোগান্তি না হওয়ার জন্য সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। যদি কোনও এলাকায় ত্রাণের অভাব বা সহায়তা থেকে বঞ্চিত হওয়ার খবর পাওয়া যায় তাহলে তাত্ক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ফরিদা খানম আরও বলেন, সরকারের পাশাপাশি সমাজের সম্পন্ন সদস্যরা, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মানবিক সহায়তা প্রদানে এগিয়ে আসা উচিত। তিনি বলেন, শুধুমাত্র সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই বন্যার শিকার মানুষের দুঃখ দূর করা যাবে।
সমন্বিত প্রচেষ্টার আহ্বান
ফরিদা খানম জোর দিয়ে বলেছেন যে, বন্যার শিকার মানুষের দুঃখ দূর করতে শুধুমাত্র সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। সমাজের সমস্ত স্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বন্যার শিকার মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতি সাধন করা যাবে।
প্রশাসনের চব্বিশ ঘণ্টা নজরদারি
ঢাকা ডিসি বলেছেন যে, প্রশাসন চব্বিশ ঘণ্টা নজরদারি বজায় রেখে নিশ্চিত করছে যে, বন্যায় আক্রান্ত কোনও পরিবার সহায়তা থেকে বঞ্চিত হবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহায়তা প্রদান করা হবে।
সহায়তার আহ্বান
ফরিদা খানম আহ্বান জানিয়েছেন যে, সমাজের সমস্ত স্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেছেন যে, শুধুমাত্র সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই বন্যার শিকার মানুষের দুঃখ দূর করা যাবে।






























