দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, সরকার চট্টগ্রাম পাহাড়ি অঞ্চল, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, সিলেট ও অন্যান্য বন্যাপ্রবণ জেলায় বন্যায় আক্রান্ত মানুষদের পুনর্বাসন, ত্রাণ সহায়তা এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ের তথ্য বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার পরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ বক্তব্য রাখেন।
সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ
মন্ত্রী বলেছেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত এই সভায় স্বাস্থ্য, কৃষি ও জলসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীরা, সংশ্লিষ্ট সচিবরা এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেছেন, সভায় বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন, কৃষি ক্ষেত্রে ক্ষতির মূল্যায়ন, স্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবেলা এবং ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামোর দ্রুত পুনর্গঠন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বন্যা ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক অনুমান
মন্ত্রী বলেছেন, প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী, ৫৯ উপজেলা, ৩৬৮ ইউনিয়ন এবং ১২ পৌরসভা সহ আটটি জেলায় মোট ৬,০৯,৪১১ পরিবার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত ৫৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বেশিরভাগ মৃত্যু ঘটেছে ভূমিধসের কারণে।
মন্ত্রী বলেছেন, সরকার ইতিমধ্যে ত্রাণ কার্যক্রম চালানোর জন্য ১.৭৫ কোটি টাকা এবং ৩,২৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করেছে। শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত জেলায় ২০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে রান্না করা খাবার এবং শুকনো খাবার সরবরাহ চালু রয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং কোস্ট গার্ড উদ্ধার কার্যে মোতায়েন করা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় উদ্ধার কার্যে সহায়তা করতে স্পিডবোট এবং রাবার বোট পাঠিয়েছে।






























