উত্তর আমেরিকার তিন দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা আর মেক্সিকোর মাটিতে বসছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ফুটবল বিশ্বকাপ। ফিফা ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) একটি যৌথ সমীক্ষা বলছে, এই বিশ্বকাপ থেকে তিন দেশের সম্মিলিত অর্থনৈতিক উৎপাদন (গ্রস ইকোনমিক আউটপুট) হতে পারে প্রায় ৮ হাজার ১০ কোটি ডলার। স্বাধীন অর্থনীতিবিদেরা মনে করেন, বাস্তবে ততটা ফলার সুযোগ নেই।
২০২৬ বিশ্বকাপে খেলছে রেকর্ড ৪৮টি দেশ। দল বাড়ায় ম্যাচের সংখ্যা ৬৪ থেকে একলাফে বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ১০৪টিতে। টুর্নামেন্টের আয়ুও বেড়ে হচ্ছে প্রায় ছয় সপ্তাহ। চারটি করে দল নিয়ে গড়া হয়েছে ১২টি গ্রুপ। এই নতুন কাঠামোর কারণে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো যুক্ত হচ্ছে ‘রাউন্ড অব ৩২’ বা শেষ ৩২-এর নকআউট পর্ব।
টুর্নামেন্টের বেশির ভাগ ম্যাচ (৭৮টি) আয়োজন করে সিংহভাগ লাভ ঘরে তুলবে যুক্তরাষ্ট্র। কানাডা ও মেক্সিকো পাবে ১৩টি করে ম্যাচ। টুর্নামেন্ট চলাকালে প্রায় ৬৫ লাখ পর্যটক আয়োজক শহরগুলোয় যাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। গড়ে ১২ দিন করে থাকা এই অতিথিরা দৈনিক ৪১৬ ডলার করে ওড়াবেন হোটেল, রেস্তোরাঁ আর যাতায়াতে যা সব মিলিয়ে দাঁড়াবে প্রায় ১ হাজার ৪০০ কোটি ডলার।
সম্প্রচার অধিকার ও স্পনসরশিপ থেকে ফিফার প্রত্যাশিত আয় ১ হাজার ৯০ কোটি ডলার। শুধু মিডিয়া রাইটস থেকেই আসবে ৪২০ কোটি ডলার, গ্লোবাল স্পনসর থেকে আরও ২৮০ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রে ইংরেজি ও স্প্যানিশ সম্প্রচার অধিকার পেয়েছে যথাক্রমে ফক্স ও টেলেমুন্ডো। ১০৪ ম্যাচের এই ফরম্যাট সম্প্রচারকারীদের জন্য বিজ্ঞাপনের জায়গাও অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।



















