জুলাই অভ্যুত্থানের ইতিহাসে ৪ আগস্ট ছিল এক গুরুত্বপূর্ণ ও গুরুতর দিন। সেদিন সারা দেশে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়েছিল। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী কলেজ, নিউ সরকারি ডিগ্রি কলেজসহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সালেহ হাসান নাকিব শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি ও সাহসিকতাকে দেশের ভবিষ্যতের আশা হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
রাজশাহীতে শক্তিশালী আন্দোলন
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং তৎকালীন উপাচার্য ডাঃ এমডি ফরিদুল ইসলাম বলেছিলেন যে, দেশের মানুষ সরকারের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলেছে এবং শিক্ষক সম্প্রদায় শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবির পাশাপাশি রাখা হয়েছে। তিনি এই আন্দোলনের সময় রাষ্ট্রের সম্পত্তি সুরক্ষা করার জন্য জোর দিয়েছিলেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপণন বিভাগের অধ্যাপক ও বর্তমান উপাচার্য ডাঃ এমডি ফরিদুল ইসলাম এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন।
পুলিশের সাথে শিক্ষার্থীদের ধর্ষণ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থানরত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অভিযান্ত্রিক ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) শিক্ষার্থীরা তালাইমারি এলাকায় ভদ্র হয়ে যাওয়ার সময় মতিহার থানার পুলিশের সাথে ধর্ষণ হয়েছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ অশ্রুগ্যাস ও রাবার বুলেট ছুঁড়েছিল। শিক্ষার্থীরা পাথর ছুঁড়ে রাস্তায় বাধা দিয়েছিল। এই ধর্ষণে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।






























