বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতা-কর্মীরা জানিয়েছেন, বিএনপি নেতা-কর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে ২০২৪-র রক্তাক্ত জুলাই উত্থান দ্রুত গতি পায়।
তাঁরা বলেছেন, ফ্যাসিবাদী হাসিনা সরকারের দীর্ঘদিনের নির্যাতন সমাজের সব মানুষের সামাজিক জীবনকেই বিষাক্ত করেছিল। তাই নতুন জীবন-নতুন ভোরের আশায় নেতা-কর্মী সব পর্যায়ে নিজেদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলে এই আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েছিলেন।
২০২৪-র ৫ আগস্ট ছাত্র-জনসাধারণের গণ উত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতন হয়। এই উত্থানে দেশব্যাপী ১,৫০০ মানুষ শহিদ হন, যাঁদের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক ছিলেন বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতা-কর্মী ও সমর্থক।
২০২৫-র ১৩ ফেব্রুয়ারি, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্বাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ৮৪৮ জন শহিদের নাম জমা দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে ৫২৪ জন ছিলেন বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনগুলোর সরাসরি নেতা-কর্মী। বাকি ৩২৪ জন ছিলেন বিএনপির সমর্থক।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্মসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা আহসান হাবীব খান বলেছেন, বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন স্বর্গীয় খালেদা জিয়া ও বর্তমান চেয়ারম্যান টারক রহমানের নেতৃত্বে ১৭ বছর ধরে অবিচ্ছিন্ন আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে জুলাই উত্থানের ভিত্তি গড়ে তোলা হয়েছিল।
পার্টির সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা শুরু থেকেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিলেন। বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে তাঁরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। তবে তিনি জানান, জুলাই উত্থানের কৃতিত্ব কোনো একক দল বা ব্যক্তির নয়। এটি সব রাজনৈতিক দল, ছাত্র, জনসাধারণ ও সাধারণ মানুষের গোটাপাকির ফলাফল।
জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি আব্দুল মুনীম মুন্না জুলাই উত্থানে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ভূমিকার কথা তুলে ধরে বলেছেন, দেশের ৮২টি সাংগঠনিক ইউনিট থেকে আগত নেতা-কর্মীরা নিজেদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলে এই আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন, যার ফলে ৭৮ জন নেতা-কর্মী শহিদ এবং হাজার হাজার মানুষ আহত ও প্রতিবন্ধী হয়েছিলেন।






























