যুবকদের মসজিদে নিয়মিত আনার জন্য পিতামাতা ও সমাজের নামাজিরা কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেন। এর মধ্যে রয়েছে যুবকদের প্রতি সহানুভূতি ও তাঁদের দৃষ্টিকোণ বোঝা, মসজিদকে আকর্ষণীয় করে গড়ে তোলা, শৈশব থেকেই মসজিদে নিয়ে যাওয়া এবং শিষ্টাচার শেখানো, মসজিদে যুবকদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও অ্যাকটিভিটি রাখা এবং মসজিদের প্রাপ্তবয়স্কদের আচরণের প্রতি সতর্ক থাকা।
সহানুভূতি ও দৃষ্টিকোণ বোঝা
মাতাপিতা, শিক্ষক বা যুব পরামর্শদাতাদের উচিত নিজেদের শৈশবের অভিজ্ঞতা স্মরণ করা এবং যুবকদের প্রতি সহানুভূতি ও তাঁদের দৃষ্টিকোণ বোঝার চেষ্টা করা।
মসজিদকে আকর্ষণীয় করে গড়ে তোলা
মাতাপিতা ও নামাজিদের উচিত মসজিদকে যুবকদের জন্য আকর্ষণীয় করে গড়ে তোলা, যেন মসজিদ তাদের ভালোলাগার স্থান হয়।
শৈশব থেকেই মসজিদে নিয়ে যাওয়া
শিশুকে নিয়মিত মসজিদে নিয়ে যাওয়া এবং তাদের মসজিদের শিষ্টাচার শেখানো জরুরি।
বিশেষ সুবিধা ও অ্যাকটিভিটি রাখা
মসজিদে যুবকদের জন্য কিছু অ্যাকটিভিটি রাখা জরুরি, যেমন দাতব্য কাজ, ক্রীড়া অনুষ্ঠান বা লিফলেট প্রকাশ।
প্রাপ্তবয়স্কদের আচরণের প্রতি সতর্ক থাকা
মসজিদের প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিমদের নিজেদের আচরণ, ব্যক্তিত্ব ও শিষ্টাচারের প্রতি সতর্ক থাকতে হবে।
হজ ও ওমরাহ পালন
মাতাপিতার উচিত সন্তানদের হজ ও ওমরাহর জন্য আর্থিক পরিকল্পনা করা। হজ ও ওমরাহ থেকে ফিরে অনেক যুবক বদলে যান এবং ভালো মুসলিম হিসেবে ফিরে আসেন।






























