রাজকীয় সুখ-সমৃদ্ধি ত্যাগ করে মানবের মুক্তির পথ খুঁজতে বেরিয়ে পড়েছিলেন শাক্যরাজ্যের রাজকুমার সিদ্ধার্থ গৌতম। পরবর্তীকালে তিনি গৌতম বুদ্ধ নামে পরিচিত হন।
গৌতম বুদ্ধের জন্ম হয়েছিল খ্রিষ্টপূর্ব ৬২৩ অব্দে বৈশাখী পূর্ণিমা তিথিতে লুম্বিনী নামে একটি উদ্যানে। তিনি রাজকীয় জীবনযাপন করতেন কিন্তু বাস্তব জগতের দুঃখ-কষ্ট দেখে তিনি চিন্তায় পড়ে যান।
নগর পরিভ্রমণে চারটি দিনে তিনি জরাগ্রস্ত বৃদ্ধ, ব্যাধিগ্রস্ত ব্যক্তি, মৃত ব্যক্তি এবং এক শান্তচিত্ত সন্ন্যাসীকে দেখেন। এই দৃশ্যগুলো তাঁকে মুক্তির পথে অগ্রসর হতে অনুপ্রাণিত করে।
উনত্রিশ বছর বয়সে তিনি গৃহত্যাগ করেন এবং ছয় বছর অবিরাম সাধনা করে খ্রিষ্টপূর্ব ৫৮৮ অব্দে বুদ্ধগয়ায় বোধিবৃক্ষের নিচে বৈশাখী পূর্ণিমা তিথিতে বোধিপ্রাপ্তি লাভ করেন।
বুদ্ধ চারি আর্যসত্য, আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গ এবং প্রতীত্যসমুৎপাদ তত্ত্ব আবিষ্কার করেন। তিনি অহিংসা, করুণা এবং মৈত্রীর বাণী প্রচার করেন।
খ্রিষ্টপূর্ব ৫৪৩ অব্দে আশি বছর বয়সে কুশীনগরে মহাপরিনির্বাণ লাভ করেন গৌতম বুদ্ধ। তাঁর আদর্শ এবং জীবনদর্শন আজও প্রাসঙ্গিক।




















