দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার তোফায়েল আহমেদ ইন্তেকাল করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনেরা জানান, ২০২৪ সালের শুরু থেকেই গুরুতর অসুস্থ ছিলেন তোফায়েল আহমেদ। একপর্যায়ে বাসা থেকে বের হওয়া প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। হাসপাতাল ও চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানেই জীবনের শেষ দিনগুলো কেটেছে তাঁর।
তোফায়েল আহমেদ ছিলেন আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা। তিনি ছিলেন ডাকসুর ভিপি এবং ছাত্রনেতা হিসেবে বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন। মাত্র ২৭ বছর বয়সে এমপি হয়েছিলেন এবং বঙ্গবন্ধুর সাহচর্য পেয়েছিলেন। পরে আওয়ামী লীগে ছিলেন গুরুত্বপূর্ণ নেতা এবং একাধিকবার মন্ত্রী হয়েছিলেন।
এক-এগারোর সময় তোফায়েল আহমেদসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা আওয়ামী লীগের ভেতরে ‘সংস্কারপন্থী’ হিসেবে পরিচিতি পান। দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার বিরাগভাজন হওয়ার পর তাঁকে সভাপতিমণ্ডলী থেকে সরিয়ে দিয়ে আলংকারিক ফোরাম উপদেষ্টা পরিষদে নেওয়া হয়। এরপর দলে আর গুরুত্ব ফিরে পাননি তিনি।



















