আইনমন্ত্রী মোঃ রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, চট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপি সংসদ সারোয়ার আলমগীরের দায়িত্ব পালনে আইনি বাধা নেই। শুক্রবার আপিল বিভাগ জামায়াত-ই-ইসলামির প্রার্থী মুহম্মদ নুরুল আমিনের দায়েরকৃত একটি সিভিল মিশেলেনিয়াস পিটিশন তাদের কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। জামায়াত নেতা হাইকোর্টের রায় অসম্মান করে এই পিটিশন দায়ের করেছিলেন।
হাইকোর্ট আগস্টে বিএনপি প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করেছিল। নির্বাচন কমিশন তাকে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছে এবং সংসদীয় আলোচনায় তিনি অংশ নিচ্ছেন। তবে জামায়াত-ই-ইসলামির প্রার্থী নুরুল আমিন আপিল বিভাগে হাইকোর্টের রায় অসম্মান করে একটি সিভিল মিশেলেনিয়াস পিটিশন দায়ের করেছিলেন।
আপিল বিভাগ দুদিন ধরে এই পিটিশন শুনেছিল এবং আজ রায় দেওয়ার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে হাইকোর্টের রায়ের পূর্ণপাঠ গতকাল প্রকাশিত হওয়ার পর আপিল বিভাগ আজ এই পিটিশন তাদের কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। তবে বিরোধী দল এখনও হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে একটি নিয়মিত সিভিল পিটিশন দায়ের করতে পারে।
জামায়াত-ই-ইসলামির প্রার্থী নুরুল আমিনের পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির আবেদন করেছিলেন। সারোয়ার আলমগীরের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার এম এম মাহবুব উদ্দিন খোকন উপস্থিত ছিলেন। আইনমন্ত্রী মোঃ রুহুল কুদ্দুস কাজল রাষ্ট্রের পক্ষে আবেদন করেছিলেন।
এই রায়ের ফলে চট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপি সংসদ সারোয়ার আলমগীরের দায়িত্ব পালনে কোনো আইনি বাধা নেই বলে স্পষ্ট হয়েছে। তবে বিরোধী দল এখনও হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে একটি নিয়মিত সিভিল পিটিশন দায়ের করতে পারে।






























