রাজশাহী জেলার পদ্মা নদীতে নৌকা ডুবে মৃত্যুবরণকারী আফসার আলী ও তার ছেলে জিয়ারুলের পরিবারে দাঁড়িয়েছে রাজশাহী মহানগর জুবোদল। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জুবোদল জাহেরা বেগমের দুই নাতনীর দায়িত্ব নিয়েছে এবং এক মাসের খাদ্য দ্রব্য তাকে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এছাড়াও, নৌকাচালকদের মধ্যে লাইফ জ্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে যাতে আর কোনো পরিবার এই ধরনের দুঃখ না বোঝায়। বারোকুঠি ঘাটে রাজশাহী মহানগর জুবোদলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম রবি নৌকাচালকদের মধ্যে লাইফ জ্যাকেট বিতরণ করেছেন।
পূর্বদিন মঙ্গলবার দুপুরে বারোকুঠি অঞ্চলে পদ্মা নদীর মাঝখানে নৌকা ডুবে যায়। স্থানীয় উৎস অনুসারে, আটজন লোক পদ্মা চর মাজারদিয়া থেকে ঝাউ গাছ কেটে ফিরছিলেন। নদীর মাঝখানে তীব্র ঢেউয়ের কারণে নৌকা ভারসাম্য হারিয়ে ডুবে যায়। যাত্রীরা জলে লাফ দিলে অন্য নৌকাচালক ও স্থানীয় মানুষ ছয়জনকে বাঁচিয়ে নিয়েছিলেন। তবে নৌকাচালক আফসার আলী ও তার ছেলে জিয়ারুল তীব্র স্রোতে নিখোঁজ হয়ে যান।
খাদ্য দ্রব্য গ্রহণ করে জাহেরা বেগম অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বলেন, 'নৌকা ডুবে আমি আমার স্বামী ও প্রিয় পুত্রকে হারিয়েছি। একসাথে দুই প্রিয়জন হারিয়ে আমার বাড়ি শূন্য হয়ে গেছে। আমি জানি না কীভাবে এই বেদনা বহন করব।'
মহানগর জুবোদলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম রবি বলেন, 'আমরা এই দুর্ঘটনায় গভীর দুঃখিত। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা জাহেরা বেগমের দুই নাতনীর দায়িত্ব নিয়েছি। আমাদের সহায়তা চলবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে মৃত্যু হ্রাস করার জন্য আমরা নৌকাচালকদের মধ্যে লাইফ জ্যাকেট বিতরণ করেছি। আমরা চাই না আর কোনো মায়ের বুক নৌকা ডুবে শূন্য হয়ে যায়।'






























