নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে বৃহস্পতিবার বিএনপির নেতা অকিল উদ্দিন ভূঁইয়ার ওপর হামলা ও মারধর করেছেন যুবদল সমর্থক নেতা–কর্মীরা। এ ঘটনায় জড়িত যুবদলের চারজনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে সাত দিনব্যাপী বৃক্ষমেলা, রক্তদান কর্মসূচি, জিয়াউর রহমানের দুর্লভ ছবির প্রদর্শনী ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অকিল উদ্দিন ভূঁইয়া ও জেলা যুবদলের সদস্যসচিব মশিউর রহমানের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। জেলা যুবদলের সদস্যসচিব মশিউর রহমানের সমর্থকেরা উত্তেজিত হয়ে মারমুখী হলে সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়।
অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের হওয়ার সময় জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণেই অকিল উদ্দিন ভূঁইয়ার ওপর যুবদলের সদস্যসচিব মশিউর রহমানের সাত-আটজন সমর্থক হামলা চালান এবং তাঁকে কিল–ঘুষি মারতে থাকেন। পরে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা এগিয়ে অকিল উদ্দিন ভূঁইয়াকে ছাড়িয়ে নেন।
অকিল উদ্দিন ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘অনুষ্ঠানে আমরা একসঙ্গে ছিলাম। সামনে দাঁড়ানো নিয়ে আমার সঙ্গে ঝগড়া করে জেলা যুবদলের সদস্যসচিব মশিউর। ওই সময় সিনিয়র নেতাদের সামনে মাফও চেয়েছিল সে। কিন্তু অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের হওয়ার সময় মশিউরের উপস্থিতিতে তাঁর পোলাপান অতর্কিত আমার ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করে।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মশিউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের দুজনের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার বিষয়টি মীমাংসা করে দেন নেতারা। আমিও তাঁর (অকিল উদ্দিন ভূঁইয়া) কাছে সরি বলেছি, তিনিও বলেছেন, ওনার ভুল হয়ে গেছে। পরে জানতে পারি, ওনার সঙ্গে কে বা কারা খারাপ আচরণ করেছে। পরে জেলা বিএনপির আহ্বায়কের নির্দেশে ঘটনার সঙ্গে জড়িত যুবদলের চারজনকে তাৎক্ষণিক ভিডিও দেখে সদস্যপদসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে ফতুল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহাবুব আলম জানান, বিষয়টি শুনেছেন। তবে এ ঘটনায় কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






























