গরমেও ঠান্ডা লাগা অর্থাৎ সর্দি, নাক বন্ধ, গলাব্যথা, কাশি হতে পারে। ধানমন্ডির পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ও সহকারী অধ্যাপক ডা. সাইফ হোসেন খান বলেছেন, ঠান্ডা লাগা কেবল শীতের সময়েরই রোগ নয়। গরমে বা বর্ষায়ও ঠান্ডা লাগতে পারে।
ঠান্ডা লাগার কারণসমূহ:
গ্রীষ্ম ও বর্ষায় ঝড়বৃষ্টি হলেও আবহাওয়া খুব একটা ঠান্ডা হয় না; বরং গরমের রুক্ষতা রয়েই যায়। এ সময় পানিশূন্যতা হলে আমাদের নাকের স্বাভাবিক নিঃসরণ কমে যেতে পারে। ফলে নাকের ভেতরের স্বাভাবিক আর্দ্রতা থাকে না। জীবাণু সহজেই ঢুকে যেতে পারে নাকের আরও ভেতরের অংশে। এভাবে সংক্রমণের সুযোগ সৃষ্টি হয় সহজে। তাপমাত্রার আকস্মিক পরিবর্তনও ঠান্ডা লাগে। খুব গরম আবহাওয়ায় ঠান্ডা পানি, পানীয় বা আইসক্রিম খেলেও ঠান্ডা লেগে যায়। আবহাওয়ার শুষ্কতা যেমন এক সমস্যা, তেমনি আবার শরীর খুব বেশি সময় ভেজা থাকলেও সৃষ্টি হয় আরেক ধরনের সমস্যা। ঘামে বা বৃষ্টিতে ভেজা অবস্থায় দীর্ঘ সময় থাকার কারণেও ঠান্ডা লাগতে পারে।
কী করবেন:
হাত পরিষ্কার না করে চোখ, নাক বা মুখ স্পর্শ করবেন না। হাঁচি-কাশির আদবকেতা বজায় রাখুন। বাইরে গেলে মাস্ক ব্যবহার করুন। এসির তাপমাত্রা এমন রাখুন, যাতে আপনার বেশি ঠান্ডা না লাগে। খুব গরমে ঠান্ডা পানীয় বা খাবার খাবেন না; বরং স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানীয় বা খাবার খান। ঘাম বা বৃষ্টিতে শরীর ভিজে গেলে যত দ্রুত সম্ভব তা মুছে ফেলুন। প্রয়োজনে ব্যাগে তোয়ালে ও বাড়তি কাপড় রাখুন। পর্যাপ্ত পানি খাবেন। মৌসুমি ফলমূল ও টাটকা শাকসবজি খাবেন। গলাব্যথায় কুসুম গরম পানি বা পানীয় খেতে পারেন। নাক বন্ধ বা সর্দি থাকলে নরমাল স্যালাইন ড্রপ ব্যবহার করতে পারেন। ০.৯% সোডিয়াম ক্লোরাইড দ্রবণ আলাদা ড্রপ হিসেবে কিনতে পাওয়া যায়। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অন্যান্য ড্রপ ব্যবহার না করাই ভালো।



















