দৃষ্টিহীন শারমিন আখতার অবশেষে পেয়ে গেলেন চাকরি। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সর্দার এমদি সখাওয়াত হোসেন তাকে চাকরির চিঠি হাতে হাতে তুলে দিলেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে শুক্রবার চাকরির চিঠি তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ডাঃ এসএম জিয়াউদ্দিন হায়দার এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাঃ প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনকারী শারমিন আখতার আগামী ২ আগস্ট রাষ্ট্রায়ত্ত ঔষধ কোম্পানি লিমিটেডে (ইডিসিএল) জুনিয়র অফিসার পদে যোগদান করবেন। তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে চাকরির জন্য আবেদন করেছিলেন।
শারমিন আখতার অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বলেন, ‘স্বাস্থ্যমন্ত্রী আমার অবস্থার কথা জেনে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবং খুব দ্রুত তিনি আমাকে চাকরি দিয়েছেন। এখন আমি আমার অসহায় পরিবারকে সহায়তা করতে পারব। আমি প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমান এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রতি আমি আমার সৎ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’
মন্ত্রী বলেন, ‘শারমিন আখতার খুব অসহায়। তার পরিবারে কোনও কর্মসংস্থানের ব্যক্তি নেই এবং তিনি উচ্চশিক্ষা অর্জন করেছেন। আমি তাকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছি এবং তিনি ইডিসিএল-এ চাকরি পেয়েছেন।’ তিনি বলেন, ছয় মাসের পরীক্ষামূলক সময় শেষে তার চাকরি নিশ্চিত হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ডাঃ এসএম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুসারে চাকরি দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে প্রতিটি অক্ষম ব্যক্তিকে পুনর্বাসন দেওয়া হবে এবং তাদের যোগ্যতা, ক্ষমতা ও দক্ষতা অনুযায়ী উপযুক্ত চাকরিতে রাখা হবে।






























