‘বনলতা সেন’ ছবিতে জীবনানন্দ দাশের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য খায়রুল বাসার ও মাসুমা রহমান নাবিলা মানসিক ও শারীরিক পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। ছবির শুটিং শেষ হওয়ার দুই বছর পরও সেই কষ্টের স্মৃতি ও কিছু ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছেন তাঁরা।
খায়রুল বাসারকে চরিত্রটির একটি বিশেষ শারীরিক বৈশিষ্ট্য ফুটিয়ে তুলতে টানা ৩২ দিন মুখে লেবু রাখতে হয়েছিল। শুটিংয়ের প্রায় পুরো সময় মুখে লেবু থাকত। এতে মুখের ভেতরের অংশে ক্ষত হলে ঠিকমতো খাওয়াদাওয়া করতে পারতেন না তিনি।
শ্রীমঙ্গলে শীতের রাতে একটি দৃশ্যের শুটিংয়ে বাসার ধুতি পরে শুটিং করতে হয়েছিল। সেদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাসার বলেন, ‘মনে হচ্ছিল হাড় পর্যন্ত বরফ হয়ে যাচ্ছে। প্রচণ্ড কষ্ট হচ্ছিল, কিন্তু তখন নিজেকে জীবনানন্দ দাশ হিসেবে ভাবতে পারছিলাম।’
নাবিলার জন্য সবচেয়ে কঠিন অভিজ্ঞতা ছিল একটি দৃশ্যের শুটিং, যেখানে তাঁকে বারবার উঠতে-বসতে হয়েছে। দৃশ্যটিতে মহিনের পা ধুয়ে দিচ্ছেন বনলতা সেন। শুটিং শেষ হওয়ার দুই বছর পরও সেই ইনজুরির প্রভাব তিনি অনুভব করেন।



















