দীপিকা পাড়ুকোনের বাবা প্রকাশ পাড়ুকোন জানান, ঘনিষ্ঠ বন্ধুর মৃত্যু মেয়েকে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করেছিল। দীপিকা ২০১৫ সালে নিজের মানসিক স্বাস্থ্য সংগ্রাম নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেন এবং পরে দ্য লিভ লাভ লাফ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রকাশ পাড়ুকোন বলেন, দীপিকা যখন ডিপ্রেশনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করার সিদ্ধান্ত নেন, তখন তিনি ও তাঁর স্ত্রী পুরোপুরি মেয়ের পাশে ছিলেন। কিন্তু কয়েক মাস পরে ঘটে একটি ঘটনা, যা দীপিকার চিন্তাভাবনাকে আরও গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
প্রকাশ পাড়ুকোন জানান, ঘনিষ্ঠ বন্ধুর মৃত্যুর পর দীপিকা বুঝতে পারেন, মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে আরও বেশি মানুষকে সচেতন করা প্রয়োজন। সেখান থেকেই ফাউন্ডেশন গঠনের চিন্তা শুরু হয়।
প্রকাশ মেয়েকে উৎসাহ দিয়ে বলেছিলেন, ‘তুমি যা করতে চাও, নিশ্চিন্তে করো। এটা তোমার সিদ্ধান্ত। আমরা সব সময় তোমার পাশে থাকব। আমার মনে হয়েছে, এটা সত্যিই ভালো একটি উদ্যোগ।’
প্রকাশ পাড়ুকোন মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সমাজে প্রচলিত কুসংস্কার ও সংকোচের কথাও বলেন। তাঁর মতে, অনেক মানুষ কেবল সামাজিক লজ্জা বা ভয় থেকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নেন না, যদিও অধিকাংশ মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা চিকিৎসাযোগ্য।



















