চীনের বিখ্যাত ‘সাউথ চায়না নরমাল ইউনিভার্সিটি’ ও ‘সাউথ চায়না অ্যাগ্রিকালচার ইউনিভার্সিটি’-তে আসন্ন মাসে আয়েশার জীবনের গল্প নিয়ে তৈরি তথ্যচিত্র ‘পায়ের ছাপ’ প্রদর্শিত হবে। চীনের তিনটি হাইস্কুলেও এই চলচ্চিত্রটি দেখানো হবে।
চীনের প্রখ্যাত ফটোগ্রাফার, স্থপতি, নগর পরিকল্পনাবিদ ও পরিবেশপ্রেমী লিউ জিই এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। তিনি ইতিমধ্যেই চীনা ভাষায় ‘পায়ের ছাপ’-এর অনুবাদ সম্পন্ন করেছেন। লিউ জিই আয়েশার জীবন-সংগ্রামকে চীনের ৮০-র দশকের একজন উচ্চপর্যায়ের পক্ষাঘাতগ্রস্ত কিংবদন্তি নারী ‘ঝাং হাইদি’-র সঙ্গে তুলনা করেছেন।
আয়েশার জীবন-সংগ্রামের গল্পটি এখন চীনের বুদ্ধিজীবী ও চলচ্চিত্র মহলে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হচ্ছে। চলচ্চিত্রটি চীনের তরুণ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জীবন গঠনে একটি বড় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
আয়েশা আক্তার জন্ম থেকেই হাতহীন হলেও পা দিয়ে লিখে সদ্য মাস্টার্স পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ (ফার্স্ট ক্লাস) অর্জন করেছেন। তিনি গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার কচুয়াহাট গ্রামের বাসিন্দা।



















