নিহত তাইমের কোমরের নিচে বাঁ পাশে বড় ছিদ্র ছিল বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন সাক্ষী হায়দার বিন ছাদের। তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২–এ ২০তম সাক্ষী হিসেবে এই জবানবন্দি দেন।
হায়দার বিন ছাদের জবানবন্দি অনুযায়ী, তাইমের মরদেহের গোসল করানোর সময় তারা তাইমের কোমরের নিচে বাঁ পাশে বড় ছিদ্র দেখতে পান। তখন তাইমের বাবা ও আরও দুজন পুলিশ কর্মকর্তাকে সেই ছিদ্র দেখানো হয়। তাঁরা আলোচনা করেন যে পিস্তলের গুলিতে ওই ছিদ্র হয়েছে।
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ এই গুলির ঘটনায় যাঁরা জড়িত, তাঁদের বিচার চান বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন সাক্ষী হায়দার বিন ছাদের।
এই মামলায় মোট ১১ জন আসামি রয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৯ জন পলাতক। কারাগারে থাকা দুই আসামি হলেন যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান ও সাবেক এসআই মো. শাহদাত আলী। আজ তাঁদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
নিহত তাইমের বাবা মো. ময়নাল হোসেন ভূঁইয়া রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনসের এসআই। জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় ২০২৪ সালের ২০ জুলাই যাত্রাবাড়ীর কাজলা পদচারী-সেতুর কাছে গুলি করে হত্যা করা হয় তাইমকে। সে (তাইম) নারায়ণগঞ্জের সরকারি আদমজীনগর এমডব্লিউ কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।




















