সাবেক জাতীয় ক্রিকেট অধিনায়ক শাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে শেয়ার মার্কেট ম্যানিপুলেশন, জালিয়াতি ও অর্থ পাচারের মামলায় তদন্ত রিপোর্ট জমার জন্য ২৩ সেপ্টেম্বর তারিখ নির্ধারিত হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কাবির আজ এ তারিখ নির্ধারণ করেন। অ্যান্টি করপশন কমিশন (এসিসি) আজ তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে বিচারপতি এ নির্দেশ দেন।
মামলাটির পটভূমি
এসিসি অসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর সজ্জাদ হোসেন ২০২৫ সালের ১৭ জুন এই মামলা দায়ের করেন। মামলায় আরো অভিযুক্ত হলেন সহকারী রেজিষ্টার অব দ্য ডিপার্টমেন্ট অব কোঅপারেটিভস আবুল খায়ের, তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাতবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বশার, সাজেদ মাতবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, শিরিন আক্তার, জাভেদ আ মাতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ুন কবির এবং তানভীর নেজাম।
অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্তরা তাদের বেনিফিসিয়ারি অউনার (বিও) অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অবৈধ সিরিয়াল ট্রানজাকশন পরিচালনা করে নির্দিষ্ট শেয়ারের মূল্য কৃত্রিমভাবে বাড়িয়েছে। তারা জালিয়াতিমূলক ট্রেডিং, জুয়া এবং স্পেকুলেটিভ কার্যকলাপে লিপ্ত হয়েছিল।
অভিযোগের বিবরণ
তদন্তকারীরা দাবি করেছেন, এই কার্যকলাপের মাধ্যমে মোট ২৫৬.৯৭ কোটি টাকা অবৈধভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে, যা তারা "অপরাধের আয়" হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
এই মামলাটি অর্থনৈতিক অপরাধের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য, কারণ এটি দেখায় কীভাবে ব্যক্তি এবং সংস্থাগুলি শেয়ার বাজারে অবৈধ কার্যকলাপ পরিচালনা করে বড় পরিমাণে অর্থ অর্জন করতে পারে। এই মামলার ফলাফল শেয়ার বাজারের নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক অপরাধ রোধে জড়িত কর্তৃপক্ষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।






























