সেনাবাহিনীতে যোগ্যতা, পেশাদারিত্ব, নৈতিকতা, নৈতিক চরিত্র, নেতৃত্বের গুণাবলী এবং শৃঙ্খলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আধুনিক ও পেশাদার সেনাবাহিনী গড়ার দাবি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমান। তিনি ব্যক্তিগত পছন্দ বা রাজনৈতিক বিবেচনার উপরে উঠে যোগ্যতাভিত্তিক পদোন্নতির উপর জোর দিয়েছেন।
ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে আজ সকালে সেনা সদর দপ্তর নির্বাচন বোর্ড-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এই মর্মে জোর দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এই তথ্য দিয়েছেন।
অনুষ্ঠানে মুখ্য অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মরণ করে বলেছেন, তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে পুনর্গঠিত ও আধুনিকীকরণ করেছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধাদের, আহত মুক্তিযোদ্ধাদের এবং বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের অবদানকে স্মরণ করে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
সেনাবাহিনীর স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার ভূমিকার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, জাতীয় নিরাপত্তার পাশাপাশি সেনাবাহিনী দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং বেসামরিক প্রশাসনের কাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।
সেনাবাহিনীর প্রধান এবং সেনাবাহিনীর প্রধান সদর দপ্তরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পাশাপাশি সেনাবাহিনীর প্রধান প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) ডঃ একেএম শামসুল ইসলাম, সহ প্রবীণ সামরিক কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের পর প্রধানমন্ত্রী সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি ছবির অধিবেশনে যোগ দিয়ে সেনা দর্শকের বইয়ে তাঁর মন্তব্য লিখেছেন।




























