নগর এলাকায় বসবাসকারী জনসংখ্যা ও নগর অর্থনীতির গুরুত্বের কথা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে যে, ‘জাতীয় নগর নীতি ২০২৫’ বাস্তবায়নের জন্য সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। এই লক্ষ্যেই জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ (এলজিডি) যৌথভাবে আয়োজিত জাতীয় প্রচার ওয়ার্কশপে নীতিটি বাস্তবায়নের জন্য দাবি জানানো হয়েছে। যুক্তরাজ্য সরকার এই উদ্যোগকে সমর্থন করেছে।
নীতিটির গুরুত্ব ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ
জাতীয় প্রচার ওয়ার্কশপে উপস্থিত অংশগ্রহণকারীরা জাতীয় নগর নীতি ২০২৫ বাস্তবায়নের জন্য সমন্বিত পদক্ষেপের দাবি জানান। এই নীতিটি দেশের প্রথম নগর নীতি যা নগর উন্নয়নের জন্য একটি জাতীয় কাঠামো হিসেবে গৃহীত হয়েছে। নীতিটি অধিক পরিকল্পিত, অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই এবং জলবায়ু-প্রতিরোধী নগর উন্নয়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
সমন্বয় ও বাস্তবায়নের জন্য দাবি
শহর উন্নয়ন অতিরিক্ত সচিব মোঃ মাহমুদ আলী বলেন, নগর উন্নয়ন শুধুমাত্র এক মন্ত্রণালয়ের কাজ নয়, এটি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, একাডেমিয়া, পেশাদার এবং নগর বাসিন্দাদের সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রয়োজন। স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব মোঃ সামসুল ইসলাম জোর দিয়ে বলেন যে নীতি থেকে বাস্তবায়নে যাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ইউএনডিপি বাংলাদেশের সিনিয়র গভর্নেন্স স্পেশালিস্ট তানভীর মাহমুদ বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নই নীতির প্রভাব নির্ধারণ করবে। তিনি উল্লেখ করেন যে জাতীয় নীতির নির্দেশনাগুলি স্থানীয় বাস্তবতা, ক্ষমতা এবং অগ্রাধিকারের সাথে যুক্ত হওয়া উচিত।
প্রফেসর ডঃ শাকিল আক্তার, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও আঞ্চলিক পরিকল্পনা বিভাগ থেকে জাতীয় নগর নীতি ২০২৫ উপস্থাপন করা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে বাস্তবায়ন নিয়ে একটি খোলা আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।






























