পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন রাষ্ট্রমন্ত্রী শায়খ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, উন্নয়ন প্রকল্পের পরিবেশগত প্রভাবের পাশাপাশি স্বাস্থ্য প্রভাব মূল্যায়নও বাধ্যতামূলক করতে হবে। তিনি জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ পরিবেশ সাংবাদিক ফোরাম (এফইজেবি) কর্তৃক আয়োজিত 'বর্জ্যমুক্ত বাংলাদেশ: আমাদের দায়িত্ব' শীর্ষক আলোচনায় এই মন্তব্য করেন।
পরিবেশ ও স্বাস্থ্য মূল্যায়ন বাধ্যতামূলক
ফরিদুল বলেছেন, উন্নয়ন প্রকল্পের পরিবেশগত প্রভাবের পাশাপাশি স্বাস্থ্য প্রভাব মূল্যায়নও বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, নদী, মাটি ও বায়ুর দূষণ রোধে পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় মানুষের অংশগ্রহণ জরুরি।
প্রাকৃতিক সমাধান ও বৈদ্যুতিক বাসের পরিকল্পনা
রাষ্ট্রমন্ত্রী ফরিদুল উল্লেখ করেছেন যে, সরকার বিভিন্ন সমস্যার প্রাকৃতিক ও পরিবেশবান্ধব সমাধান খুঁজতে কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে ২৫০ মিলিয়ন গাছ রোপণ, ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন এবং বৈদ্যুতিক বাস চালু করার পরিকল্পনা। তিনি বলেছেন, এ বছর গাছ রোপণ কর্মসূচিতে কোনো সরকারি অর্থ ব্যবহার করা হয়নি। পরিবর্তে, কর্পোরেট সামাজিক দায়িত্ব (সিএসআর) এবং জেলা পর্যায়ের তহবিল থেকে অর্থায়ন করা হয়েছে।
ফরিদুল আরও জানান যে, সরকার দেশকে গাছ রোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে বিপ্লব করতে চায়। তিনি বলেছেন, ২৫০ মিলিয়ন গাছ রোপণ কর্মসূচির অধীনে কোনো একযোগ্য গাছ রোপণ করা হবে না।
শিল্প বর্জ্য নিষ্কাশন নিয়েও ফরিদুল উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, ঢাকাকে ঘিরে পাঁচটি নদীতে ৪২৫টি স্থানে শিল্প কারখানাগুলো বর্জ্য নিষ্কাশন করছে। তিনি এই নিষ্কাশন পয়েন্টগুলো বন্ধ করতে এবং সাংবাদিকদের তাদের প্রতিবেদনে এই বিষয়টি তুলে ধরতে আহ্বান জানান।
ফরিদুল আরও বলেছেন, খননের পর রাস্তাগুলো অল্প সময়ের মধ্যে সংস্কার করা বাধ্যতামূলক করা উচিত যাতে ঢাকার বায়ু দূষণ কমানো যায়।






























