সিস্টেম ক্ষতি কমানো এবং রাজস্ব সংগ্রহ সহজ করার লক্ষ্যে বিভিন্ন বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলো জুন পর্যন্ত 87.50 লক্ষ প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার স্থাপন করেছে। বাকি গ্রাহকদের জন্য এই কাজ চলছে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিম বলেন, 'আমরা সমস্ত গ্রাহককে স্মার্ট প্রিপেইড মিটারের আওতায় আনতে চাই যাতে সিস্টেম ক্ষতি কমানো যায় এবং রাজস্ব সংগ্রহ সহজ হয়।'
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় দেশের ৫ কোটিরও বেশি বিদ্যুৎ গ্রাহককে স্মার্ট প্রিপেইড মিটারের আওতায় আনতে একটি ধাপে ধাপে মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়ন করছে।
মন্ত্রণালয়ের একজন অফিসিয়াল বলেন, গ্রাহক পর্যায়ে মিটার ট্যাম্পারিং, অবৈধ সংযোগ এবং অন্যান্য অনিয়মের কারণে ৫-৭ শতাংশ ক্ষতি হয়। প্রিপেইড মিটার এই ক্ষতি কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
বিপিডিবি অনুসারে, ছয়টি বিতরণ সংস্থা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ধাপে ধাপে স্মার্ট প্রিপেইড মিটার স্থাপন করছে। বর্তমানে ৮৭,৫০,৮২৩টি মিটার স্থাপিত হয়েছে।
বিপিডিবির পরিচালক মোঃ শামিম হাসান বলেন, 'এই বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত বিপিডিবি ৩৫,৩৭,১২৬টি স্মার্ট এবং ঐতিহ্যবাহী এক ও তিন ফেজ প্রিপেইড মিটার স্থাপন করেছে। বাকি মিটার স্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে।'
বিপিডিবির তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ গ্রামীণ বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি) এপর্যন্ত ১৮,০০,০০০টি মিটার, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) ১০,৭৯,১৮৪টি, ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো) ৯,১৬,৯১০টি, ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডব্লিউজেডপিডিসিএল) ৯,১২,২৩৩টি এবং নর্দার্ন ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো) ৯,৩৯,৩০৩টি মিটার স্থাপন করেছে।




























