ফ্রান্স বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে চায়, যাতে দু’দেশই সমানভাবে উপকৃত হয়। ফ্রান্সের রাজদূত জঁ-মার্ক সেরে-শারলে বলেছেন, তাদের আশা, ঢাকাও অংশীদারিত্বের প্রতি তার আগ্রহ স্পষ্ট করবে। তিনি ফরাসি দূতাবাসের জুলাই ১৪ তারিখে আয়োজিত বাস্তিল দিবস অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিয়েছিলেন।
শারলে বলেছেন, ‘আমরা নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে সমপাক্ষিকতায় উপকৃত হওয়ার প্রত্যাশা করি যাতে আমরা আমাদের সম্পর্ক আরও বিকাশ করতে পারি। আমরা আশা করি, বাংলাদেশও অংশীদারিত্বে আগ্রহ দেখাবে।’
অনুষ্ঠানে শক্তি, খনি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বক্তব্য দিয়েছেন। দূতাবাসের কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, উন্নয়ন সহযোগী এবং বেসামরিক সমাজের বিভিন্ন ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
রাজদূত শারলে বলেছেন, ফ্রান্স বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা, বিনিয়োগ, সংস্কৃতি, জলবায়ু কাজ, উদ্ভাবন এবং কৌশলগত সহযোগিতায় দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব চায়। তিনি বলেছেন, ফ্রান্স ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন গত ২৫ বছর ধরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছে।
রাজদূত শারলে বলেছেন, ফ্রান্স ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের রেডিমেড গার্মেন্টস শিল্প উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। তিনি বলেছেন, ফ্রান্স ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও গভীর করতে চায়।
রাজনৈতিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে রাজদূত শারলে বলেছেন, বাংলাদেশ গত কয়েক মাসে একটি অসাধারণ গণতান্ত্রিক পরিবর্তন অতিক্রম করেছে। তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে স্বাগত জানিয়েছেন।
রাজদূত শারলে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ডঃ খলিলুর রহমান এবং ফ্রান্সে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত খন্দকার তালহার সাফল্যকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ফ্রান্স ও বাংলাদেশের মধ্যে রাজনৈতিক বক্তৃতা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং মানুষের মধ্যে যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করতে চায়।





























