বিশ্বকাপের বিবর্তন ও তার ইতিহাস নিয়ে জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক কোচের অভিজ্ঞতা ও চিন্তাভাবনা জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, ফুটবল ভক্তদের খেলাটার সঙ্গে যে মানসিক সম্পৃক্ততা, তা অনেকটা উচ্চাঙ্গসংগীতের সাধকদের মতো।
বিশ্বকাপে দল বাড়ছে এবং এই বিবর্তনকে তিনি ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখেন। তিনি ফিফার প্রশংসা করেন যে তারা ফুটবলকে আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে।
তিনি স্মরণ করেন যে ১৯৬৪ সালে তিনি প্রথম বিশ্বকাপ সম্পর্কে জানতে পারেন এবং তখন থেকে তিনি ব্রাজিলের সমর্থক হয়ে যান। তিনি মনে করেন বিশ্বকাপের প্রতি আকর্ষণ কমেনি এবং ছোট দেশগুলোর জন্য এটা একটা বিরাট প্রেরণা।
তিনি বলেন, বিশ্বকাপের বিবর্তন তাকে পুরোনো স্মৃতি চলে আসায়। তিনি ১৯৭৪ সালের ফাইনাল ম্যাচ দেখেছিলেন এবং তখন থেকেই নিয়মিত বিশ্বকাপ দেখা শুরু করেন।
তিনি মনে করেন, ফুটবল নিয়ে উম্মাদনা কখনো কমবে না কারণ এটি বিশ্বের এক নম্বর খেলা। তিনি বলেন, ফুটবল তার ভক্তদের অন্য এক জগতে নিয়ে যেতে পারে।




















