ইংল্যান্ড এবং আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে মুখোমুখি হবে। দুই দল যথাক্রমে নরওয়ে এবং সুইজারল্যান্ডকে পরাজিত করে সেমিফাইনালে পৌঁছেছে।
আর্জেন্টিনার জন্য এই ম্যাচটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ তারা ১৯৬২ সালের পর প্রথমবারের মতো দুইবার বিশ্বকাপ জেতার সুযোগ পাচ্ছে। ইংল্যান্ডের জন্যও এই ম্যাচটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ তারা ৬০ বছর পর কোনও বড় ট্রফি জেতার স্বপ্ন দেখছে।
ঐতিহাসিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা
এই ম্যাচটি ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের মতো অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ হতে পারে। সেই ম্যাচে ডিয়েগো মারাদোনার দুটি গোলের জন্য আর্জেন্টিনা ২-১ গোলে জিতেছিল। মারাদোনার উত্তরাধিকারী লিওনেল মেসি এই ম্যাচে তার ২০৬তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলবে কিন্তু ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথমবার।
রাজনৈতিক পটভূমি
এই ম্যাচটি ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চলমান রাজনৈতিক বিবাদের পটভূমিতে অনুষ্ঠিত হবে। ১৯৮২ সালে আর্জেন্টিনার আক্রমণের পর ব্রিটেন সেখানে সামরিক বাহিনী পাঠিয়েছিল।
আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি রাজনৈতিক বিষয়গুলোকে এড়িয়ে গেছেন এবং বলেছেন যে এটি শুধুমাত্র একটি ফুটবল ম্যাচ। ইংল্যান্ডের কোচ থমাস টুচেল তার দলের পারফরম্যান্স নিয়ে অসন্তুষ্ট হয়েছেন এবং বলেছেন যে তাদের উল্লেখযোগ্য উন্নতি করতে হবে যদি তারা ফাইনালে পৌঁছতে চায়।
পরবর্তী ম্যাচ
সেমিফাইনালের বিজয়ী ফ্রান্স এবং স্পেনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়া অন্য সেমিফাইনালের বিজয়ীর বিরুদ্ধে ফাইনালে খেলবে। ফাইনালটি ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে।





























