বড়দিন খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের কাছে যিশুখ্রিষ্টের জন্ম উদযাপনের দিন। এই দিন শান্তি, মিলন ও উদারতার শিক্ষা দেয়। যিশু কোনো কিছুতে আসক্ত ছিলেন না, তিনি মানবসেবায় ব্যস্ত ছিলেন। আমাদের উদার হওয়া উচিত। তাঁর জন্মের জন্য জায়গা জোটেনি, তাই আমাদের অন্যের প্রয়োজনের প্রতি মনোযোগী হওয়া উচিত। দারিদ্র্যকে আলিঙ্গন করেছিলেন যিশু, আমাদেরও দীনধন্যদের প্রতি সহানুভূতি রাখা উচিত। রাখালদের কাছে দূত শুভ সংবাদ নিয়ে এসেছিল, আমাদের জীবনও সুসংবাদবাহক হওয়া উচিত। বড়দিন শান্তি-সম্প্রীতির দিন, সমগ্র পৃথিবীতে শান্তি-সম্প্রীতি প্রয়োজন।
বড়দিনের শিক্ষা
বড়দিন শান্তি, মিলন ও উদারতার শিক্ষা দেয়। যিশুর জীবন থেকে আমরা শিখতে পারি যে আমাদের উদার হওয়া উচিত, অন্যের প্রয়োজনের প্রতি মনোযোগী হওয়া উচিত, দীনধন্যদের প্রতি সহানুভূতি রাখা উচিত এবং আমাদের জীবন সুসংবাদবাহক হওয়া উচিত। বড়দিন শান্তি-সম্প্রীতির দিন, সমগ্র পৃথিবীতে শান্তি-সম্প্রীতি প্রয়োজন।




















