দ্য পালস টুডে
EN
ব্রেকিং
সোনার দাম আবার বাড়ল, ভরিতে ৫,৪৮২ টাকা বেশিSpaceX-এর নাসডাক অভিষেকে শেয়ার মূল্য বৃদ্ধি, দুই ট্রিলিয়ন ডলার অতিক্রমএআই ডেটা সেন্টারের কারণে আশেপাশের এলাকার তাপমাত্রা বাড়ছেসোনারগাঁওকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিত করার জন্য বিশেষ পরিকল্পনা: এমপি মান্নানইসলামী ব্যাংকের অস্থিরতায় ব্যাংকগুলোর এমডিদের উদ্বেগ, দ্রুত সমাধানের আহ্বানপ্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকস্বাগতম — দ্য পালস টুডে এখন লাইভ।যুক্তরাজ্যে ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধমার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলের বিরুদ্ধে কঠোর মনোভাব গ্রহণ করতে চলেছেনোরা ফাতেহির হৃদয়ে মরক্কোর জন্য বিশেষ ভালোবাসা, ফিফা বিশ্বকাপে পারফর্ম করেছেনসোনার দাম আবার বাড়ল, ভরিতে ৫,৪৮২ টাকা বেশিপ্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের দিল্লি প্রবেশে বাধা, ঢাকা তদন্ত করে পদক্ষেপ নেবেভারতের বিধিনিষেধের কারণে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি ৩.৪২ শতাংশ কমেছেশবনম বুবলী শাকিব খানকে ট্যাগ করে জানিয়েছেন কন্যাসন্তানের জন্মের খবরসিতারা ফেরদৌসের সুফি বিরিয়ানির রেসিপি জানুন‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬’ ভারতে অনুষ্ঠিত হয়েছেট্রাম্পের ইরানকে আলোচনার জন্য আহ্বান: ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পরবর্তী উদ্যোগবুদ্ধপূর্ণিমা: গৌতম বুদ্ধের জন্ম, বুদ্ধত্ব ও মহাপরিনির্বাণের দিনযশোরে পাটওয়ারীর দিকে ডিম নিক্ষেপ ও গাড়িবহরে হামলার অভিযোগএইচএসসি পরীক্ষা ২০২৬: বাংলা ২য় পত্রে বাক্য শুদ্ধির জন্য ৫ নম্বরমাইকেল জ্যাকসনের যৌন নিপীড়নের অভিযোগ: নতুন নেটফ্লিক্স তথ্যচিত্র সিরিজ নিয়ে বিতর্কসুন্দরবনের মধুময়ী ছইলা ফুল: আকর্ষণ ও গুরুত্ব

তোফায়েল আহমেদ: স্মরণীয় রাজনীতিবিদ ও মুক্তিযুদ্ধের নেতার স্মৃতি

দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর তোফায়েল আহমেদের মৃত্যু ঘটেছে।

লিখেছেন নিজস্ব প্রতিবেদক মিনিট পড়া
শেয়ার
দেশের রাজনীতিতে তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন

প্রবীণ রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদের মৃত্যু অপ্রত্যাশিত ছিল না। দীর্ঘদিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন, পক্ষাঘাতে ভুগছিলেন এবং কার্যত জনজীবন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি বিদায় নিলেন; কিন্তু বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে তাঁর নাম বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে ১৯৬৯ সালের গণ–অভ্যুত্থানের অন্যতম মুখ হিসেবে।

ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে তোফায়েল আহমেদ

আমি তোফায়েল আহমেদকে প্রথম দেখি ১৯৬৯ সালের গণ–আন্দোলনের সময়। তখন আমি ঢাকা কলেজে পড়ি। ওই বছরের জানুয়ারিতে চারটি ছাত্রসংগঠন মিলে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে। তোফায়েল আহমেদ তখন ডাকসুর ভিপি এবং ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতৃত্বে ছিলেন। ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভা-সমাবেশে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি ছিল। আন্দোলন যত এগিয়েছে, তাঁর জনপ্রিয়তাও তত বেড়েছে। আন্দোলনের শেষ পর্যায়ে এসে তিনি ছাত্রসমাজের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতাদের একজন হয়ে ওঠেন। বলা যায়, কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব; আর তাঁর ঠিক পরেই ছিলেন তোফায়েল আহমেদ। সেই সময় তিনি যে উচ্চতায় পৌঁছেছিলেন, যে রকম জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন, তা বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতির ইতিহাসে বিরল।

মুক্তিযুদ্ধে তোফায়েল আহমেদের ভূমিকা

১৯৬৯ সালের শেষ দিকে ছাত্রলীগের সম্মেলনে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হন এবং আ স ম আবদুর রব সাধারণ সম্পাদক হন। এ সময় শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে ছাত্রলীগের কিছু কর্মীকে নিয়ে স্বাধীনতার প্রস্তুতির লক্ষ্যে একটি গোপন সংগঠন গড়ে তোলা হয়, যার নাম ছিল ‘নিউক্লিয়াস’। এ বিষয়ে অনেক ভুল তথ্য প্রচলিত থাকলেও বাস্তবে এটি ছিল স্বাধীনতার জন্য প্রস্তুতিমূলক একটি সাংগঠনিক কাঠামো। শেখ ফজলুল হক মনি, সিরাজুল আলম খান ও আবদুর রাজ্জাক এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৭০ সালের মাঝামাঝি সময়ে যখন অনেকের মনে হয়েছিল সশস্ত্র সংগ্রামের প্রয়োজন হতে পারে, তখন এই সংগঠনের কার্যক্রম গুরুত্ব পায়। সামরিক প্রশিক্ষণের পরিকল্পনাও ছিল।

পরে যখন নিশ্চিত হওয়া গেল যে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং আওয়ামী লীগ ভালো ফল করবে, তখন এর কার্যক্রম অনেকটাই স্থগিত হয়ে যায়; কিন্তু ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের গণহত্যার পর ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা ভারতে গিয়ে আবার সংগঠনটিকে সক্রিয় করেন। বিভিন্ন বর্ণনা অনুযায়ী এর সদস্যসংখ্যা কয়েক হাজার ছিল। ১৯৭১ সালের অক্টোবরে এর নাম পরিবর্তন করে ‘মুজিব বাহিনী’ রাখা হয়। এই বাহিনীর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দায়িত্বে ছিলেন তোফায়েল আহমেদ।

স্বাধীনতার পর রাজনৈতিক জীবন

স্বাধীনতার পর শেখ মুজিবুর রহমান দেশে ফিরে তোফায়েল আহমেদকে নিজের রাজনৈতিক সচিব হিসেবে নিয়োগ দেন। এর পর থেকে তোফায়েল আহমেদকে সরকার ও রাষ্ট্রক্ষমতার অংশ হিসেবেই দেখা যায়। স্বাধীনতা-পরবর্তী সরকারের নানা কর্মকাণ্ড নিয়ে যে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল, তার কিছু অংশের সঙ্গে তাঁর নামও জড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে রক্ষীবাহিনী নিয়ে নানা অভিযোগ ওঠে। যদিও পরবর্তী সময়ে তিনি দাবি করেছিলেন, রক্ষীবাহিনীর দায়িত্ব তাঁর হাতে ছিল না।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড ও বাকশাল সরকারের পতনের পর আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতার মতো তিনিও গ্রেপ্তার হন, নির্যাতনের শিকার হন এবং কয়েক বছর কারাবন্দী থাকেন। পরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আবার সক্রিয় হন। শেখ হাসিনা দেশে ফিরে দলের সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার সময় তিনি সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তবে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর ‘নিষ্ক্রিয়তা’র জন্য তোফায়েল আহমদ পরবর্তী সময়ে শেখ হাসিনার সমালোচনার মুখে পড়েন।

সংস্কারপন্থী গোষ্ঠীর সঙ্গে তোফায়েল আহমেদ

দলের ভেতরে তোফায়েল আহমেদের গুরুত্ব আবারও আলোচনায় আসে ২০০৭ সালে সেনা–সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়। তখন আওয়ামী লীগের ভেতরে ‘সংস্কারপন্থী’ একটি গোষ্ঠী সক্রিয় হয়েছিল। তাঁরা দল পুনর্গঠনের বিভিন্ন প্রস্তাব দিয়েছিলেন এবং তৎকালীন এক-এগারোর সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবছিলেন; কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই উদ্যোগ সফল হয়নি। রাজনৈতিক পরিস্থিতি পাল্টে গেলে সংস্কারপন্থীদের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ে।

২০০৯ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে ‘সংস্কারপন্থী’ নেতারা ক্ষমতার বলয়ে আর আগের অবস্থানে ফিরতে পারেননি। ফলে দলের ভেতরে প্রান্তিক অবস্থানেই তোফায়েল আহমেদের রাজনৈতিক জীবনের শেষ অধ্যায় কাটে। তাঁকে দলের উপদেষ্টা পরিষদে রাখা হলেও পদটি মূলত আনুষ্ঠানিক ছিল। অনেকের ধারণা, শেখ হাসিনা তোফায়েল আহমেদের উপস্থিতিতে অস্বস্তি বোধ করতেন। কারণ, তোফায়েল আহমেদ ছিলেন আন্দোলন থেকে উঠে আসা নেতা; আর শেখ হাসিনার রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভিত্তি ছিল পারিবারিক উত্তরাধিকার। বাংলাদেশের রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা এখানেই প্রতিফলিত হয়—আন্দোলনের মাধ্যমে অর্জিত নেতৃত্ব এবং উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত নেতৃত্বের মধ্যে একধরনের অন্তর্নিহিত টানাপোড়েন।

উত্থান-পতনের মধ্যে তোফায়েল আহমেদ

সব মিলিয়ে তোফায়েল আহমেদের জীবন ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের উত্থান-পতন, সম্ভাবনা ও সীমাবদ্ধতার এক প্রতিচ্ছবি। ১৯৬৯ সালের গণ–অভ্যুত্থানের যে কিংবদন্তি ছাত্রনেতাকে মানুষ দেখেছিল, পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রক্ষমতা, দলীয় আনুগত্য এবং রাজনৈতিক বাস্তবতার ভেতর দিয়ে তিনি আর সেই উচ্চতায় ফিরে যেতে পারেননি। তবু বাংলাদেশের ’৬৯–এর গণ–অভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি এবং সংসদীয় রাজনীতির ইতিহাসে তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

আপনার প্রতিক্রিয়া

এই খবরটি কি সহায়ক ছিল?

সংবাদ ফ্রি রাখতে পাশে দাঁড়ান

আমরা পাঠকের সেবা করি, বিজ্ঞাপনদাতার নয়। যারা সংবাদের জন্য টাকা দেন, তারাই এর দিকনির্দেশনা ঠিক করেন — সিদ্ধান্ত আপনার।

১০ টাকা থেকে ডোনেশন শুরু →

সাধারণ জিজ্ঞাসা

তোফায়েল আহমেদ কোন বছর ডাকসুর ভিপি ছিলেন?
১৯৬৯ সালে।
তোফায়েল আহমেদ মুক্তিযুদ্ধের কোন বাহিনীর দায়িত্বে ছিলেন?
মুজিব বাহিনীর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দায়িত্বে ছিলেন।

এই খবর নিয়ে এআই-কে জিজ্ঞাসা করুন

মন্তব্য

আরও: রাজনীতি

সব দেখুন →
বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ আজ
রাজনীতি

জামায়াতের বিক্ষোভ: বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ

জামায়াত বিদ্যুতের দাম বাড়ানোকে গণবিরোধী বলে অভিহিত করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।

মিনিট পড়া
বিএনপি উদার গণতন্ত্রে বিশ্বাসী, কোনো বিভাজন সৃষ্টি করতে চাই না: মির্জা ফখরুল
রাজনীতি

বিএনপি উদার গণতন্ত্রে বিশ্বাসী, বিভাজন নয়: মির্জা ফখরুল

বিএনপি উদার গণতান্ত্রিক রাজনীতির প্রতিনিধিত্ব করে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মিনিট পড়া
‘ভাইরাল’ না হলে টনক নড়ে না
রাজনীতি

রাজনৈতিক ব্যক্তিদের টনক নড়ে না যদি না হয় ভাইরাল: রুমিন ফারহানা

ধর্ষণ-নিপীড়নের ঘটনায় রাজনৈতিক ব্যক্তিদের টনক নড়ে না বলে মনে করেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

মিনিট পড়া
বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি–লুটপাট বন্ধ না করে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে সরকার: গোলাম পরওয়ার
রাজনীতি

বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি বন্ধ না করে দাম বাড়িয়েছে সরকার: গোলাম পরওয়ার

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেছেন, বিদ্যুৎ খাতের সব অনিয়ম-দুর্নীতির সঙ্গে সরকারের সিন্ডিকেট জড়িত।

মিনিট পড়া
হাদি হত্যার বিচার দ্রুত নিশ্চিত করার দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের মশালমিছিল
রাজনীতি

হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের মশালমিছিল

ইনকিলাব মঞ্চ হাদি হত্যার ঘটনায় জড়িত দেশীয় খুনিদের চিহ্নিত করা, পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনা এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে মশালমিছিল করেছে।

মিনিট পড়া

সর্বশেষ সংবাদ

ইসরায়েলে হামলার পর ইরানকে ‘আলোচনার টেবিলে ফেরার’ আহ্বান ট্রাম্পের
আন্তর্জাতিক

ট্রাম্পের ইরানকে আলোচনার জন্য আহ্বান: ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পরবর্তী উদ্যোগ

ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর পর ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মিনিট পড়া
গৌতম বুদ্ধের সৌন্দর্যমণ্ডিত উৎসব
ধর্ম

বুদ্ধপূর্ণিমা: গৌতম বুদ্ধের জন্ম, বুদ্ধত্ব ও মহাপরিনির্বাণের দিন

বুদ্ধপূর্ণিমা বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান উৎসব, যা বৈশাখ মাসের পূর্ণিমাতিথিতে বিশ্বজুড়ে উদ্‌যাপিত হয়।

মিনিট পড়া
মাইকেল জ্যাকসন কি সত্যি শিশুকে যৌন নির্যাতন করেছিলেন
বিনোদন

মাইকেল জ্যাকসনের যৌন নিপীড়নের অভিযোগ: নতুন নেটফ্লিক্স তথ্যচিত্র সিরিজ নিয়ে বিতর্ক

মাইকেল জ্যাকসনের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ নিয়ে নতুন নেটফ্লিক্স তথ্যচিত্র সিরিজ 'মাইকেল জ্যাকসন: দ্য ভারডিক্ট' জটিল বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

মিনিট পড়া
ইরানের সঙ্গে চুক্তি মেনে নেওয়া ছাড়া নেতানিয়াহুর সামনে ‘কোনো বিকল্প নেই’
আন্তর্জাতিক

নেতানিয়াহুর কাছে ইরানের সঙ্গে চুক্তি মেনে নেওয়া ছাড়া বিকল্প নেই: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ইরানের সঙ্গে যে চুক্তিই করা হোক না কেন তা মেনে নিতে হবে।

মিনিট পড়া
বিশ্বকাপ ফুটবল: আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের পতাকা ঢাকায় জনপ্রিয়
বাংলাদেশ

বিশ্বকাপ ফুটবল: আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের পতাকা ঢাকায় জনপ্রিয়

বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে ঢাকায় আসেন পতাকা বিক্রেতারা, আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের পতাকা বেশি বিক্রি হচ্ছে।

মিনিট পড়া