আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্ব পুরোনো অবস্থানেই অনড়। দলের নেতৃত্বে পরিবর্তন আনা কিংবা পুরোনো রাজনৈতিক অবস্থান বদলের লক্ষণ নেই। ‘রিফাইন্ড’ বা ‘পরিশুদ্ধ’ আওয়ামী লীগের ধারণা ঘিরে দলটির ভেতরে আলোচনা আছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে টিকে থাকা ও আবার সক্রিয় হওয়ার সম্ভাব্য সবচেয়ে ভালো বিকল্প পথ হিসেবে এই ধারণাকে সামনে আনছেন কেউ কেউ। তবে দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব, বিশেষ করে শেখ হাসিনা, এ ধারণার প্রতি একেবারেই অনাগ্রহী।
এই পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের অনেকের কাছেই দলটির রাজনীতিতে ফেরার পথ কী, তা স্পষ্ট নয়। অনেকের মধ্যে হতাশাও কাজ করছে। আবার কেউ কেউ মনে করছেন, বর্তমান সরকার যদি বড় ধরনের ভুল করে বা অজনপ্রিয় হয়ে ওঠে, তখন আওয়ামী লীগের ফিরে আসার পথ বা সুযোগ তৈরি হবে।
আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ‘রিফাইন্ড’ বা সংস্কারের মাধ্যমে অপেক্ষাকৃত কম বিতর্কিতদের নেতৃত্বে আনার বিষয়টি বন্ধুপ্রতিম দেশ ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনার কাছে পৌঁছানো হয়েছিল। নির্বাচনের পরও বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। তবে নিজের সভাপতি পদ ছাড়তে নারাজ শেখ হাসিনা। বড়জোর সাধারণ সম্পাদকের বিকল্প হিসেবে মুখপাত্র হিসেবে এক বা একাধিক নেতাকে দায়িত্ব দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। সেটাও তাঁর পছন্দের এবং বিদেশে থাকা নেতাদের মধ্য থেকেই করার পক্ষে তিনি, যা শুভাকাঙ্ক্ষীদের কোনোভাবেই সন্তুষ্ট করতে পারেনি। ফলে সংস্কারের সব ধারণা আপাতত ‘মৃত’ বলেই মত সবার।



















