খুলনায় রাজনৈতিক নেতাদের যোগসাজশে দখল ও চাঁদাবাজি বৃদ্ধি পেয়েছে। রেলের জমি, নদীর ঘাট, বাজারসংলগ্ন খোলা জায়গা ও সিটি করপোরেশনের উন্নয়নকাজ ঘিরে নতুন করে দখল ও চাঁদাবাজি চলছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পালাবদলের পর শহরের বিভিন্ন এলাকায় রেলের জমিতে নতুন স্থাপনা উঠেছে, কোথাও দোকানঘর করা হয়েছে, কোথাও ঠিকাদারি কাজ বন্ধ করে চাঁদা আদায়ের ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, সন্ত্রাসী গোষ্ঠী এবং প্রশাসনের অসাধু অংশের যোগসাজশের অভিযোগ এসেছে।
রূপসা নদীর ঘাট এলাকায় পুনরায় দখল ও চাঁদাবাজি
রূপসা নদীর তীরবর্তী ঘাট এলাকা একসময় আলোচিত সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদারের অপরাধজগতের কেন্দ্র ছিল। তাঁর ফাঁসির পর বড় বাজার ও ঘাট এলাকায় তুলনামূলক স্বস্তি ফিরেছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর সেখানে আবার দখল ও চাঁদাবাজির ঘটনা সামনে এসেছে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের কারও কারও সম্পৃক্ততার অভিযোগও রয়েছে।
দখলের জন্য মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ
দখলের জন্য অনেকের নামে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময়কার বিভিন্ন ঘটনায় মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে। উন্নয়নকাজেও ভাগ বসাচ্ছে চাঁদাবাজেরা। চাঁদা না দিলে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। পুলিশের তালিকাতেই শুধু খুলনা শহরে ৬৯ জন চাঁদাবাজ ও ১৮১ জন সন্ত্রাসীর নাম আছে।
রাজনৈতিক নেতাদের অভিযোগ
আলোচিত সন্ত্রাসী গ্রুপের কিছু সদস্য রাজনৈতিক সংগঠনের কমিটিতে ঢুকে পড়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। খুলনা বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের একজন প্রথম আলোকে বলেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন ওয়ার্ড কমিটিতে সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবুর সদস্যদের অনেকে জায়গা করে নিয়েছে।



















