৪১ বছর বয়সেও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো কীভাবে ফিট আছেন, জানালেন তাঁর সাবেক শেফ জর্জিও বারোন। রোনালদোর ডায়েট চার্টে থেকে প্রচুর প্রোটিন, সামান্য কার্বোহাইড্রেট। প্রতিদিন তাঁর প্লেটে থাকে অ্যাভোকাডো, টাটকা শাকসবজি আর ফলমূল। প্রোটিনের জন্য থাকে মাছ, মুরগির মাংস ও ডিম। এ ছাড়া কলিজা তাঁর প্রিয় খাবারের একটি।
ওজন ঠিক রাখতে মেপে খান না রোনালদো; বরং দিনে ঠিক কতটা পরিশ্রম করতে হবে, তা মাথায় রেখেই কী খাবেন, তা ঠিক করেন। যেদিন অনুশীলন থাকে, সেদিন একটু বেশি খান। ম্যাচের দিন শরীর হালকা রাখতে একটু কম। আর ছুটির দিনে একেবারেই কম।
শেফ বারোন বলেন, ‘রোনালদো প্রচুর পরিশ্রম করতেন, তাই খেতেনও প্রচুর।’ তবে মূল শর্ত একটাই—খাবার হতে হবে টাটকা আর যতটুকু দরকার, ঠিক ততটুকুই।
২০২০ ইউরোয় সংবাদ সম্মেলনে কোকাকোলার বোতল সরিয়ে পানি খাওয়ার কথা বলেছিলেন রোনালদো। সেই ঘটনা সাড়া ফেলেছিল পুরো বিশ্বে। রোনালদো সেই কথা মেনে চলেন অক্ষরে অক্ষরে। বারোনের ভাষ্যমতে, রোনালদোর কাছে চিনি মানেই ‘বিষ’। রোনালদো কেবল মিষ্টিজাতীয় খাবার বর্জনই করেন না, এমনকি কফিতেও চিনি নেন না। যেকোনো প্রক্রিয়াজাত খাবার, অর্থাৎ ফাস্ট ফুডও তাঁর খাবারের তালিকায় নেই।
রোনালদোর ফিটনেসের মন্ত্রই হলো ৬০ ভাগ ডায়েট আর ৪০ ভাগ অনুশীলন। প্রতিদিন যা–ই হোক না কেন, এই দুই জায়গায় কখনোই ফাঁকি দেন না। অনেক খেলোয়াড়ই ভিডিও গেম কিংবা অযথা সময় কাটিয়ে রাত জাগেন। সেই জায়গায় রোনালদো বরাবরই নিয়ম মেনে চলেন। ঘুমানোর দেড় ঘণ্টা আগেই রাতের খাবার সেরে নেন। সঠিক সময়ে ঘুমাতে যাওয়া আর শরীরকে বিশ্রাম দেওয়ার ব্যাপারে কোনো ছাড় নেই।



























