সিরাজগঞ্জে বায়োমেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য একটি নতুন সুবিধা চালু হয়েছে, যা তিন মিলিয়নেরও বেশি মানুষের উপকারে আসবে। পরিবেশ অধিদপ্তর সিরাজগঞ্জ সদরে এই কমন ট্রিটমেন্ট ফেসিলিটি (সিটিএফ) উদ্বোধন করেছে। এটি টেকসই প্লাস্টিক ব্যবহার ও সামুদ্রিক বর্জ্য প্রতিরোধ প্রকল্পের অংশ, যা জাতিসংঘের শিল্পোন্নয়ন সংস্থা (ইউএনআইডিও) এর প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং রয়্যাল নরওয়েজিয়ান দূতাবাসের অর্থায়নে বাস্তবায়িত হয়েছে।
বছরে ৯৫০ টন বর্জ্য পরিচালনার ক্ষমতা
এই সুবিধাটি বছরে ৯৫০ টন বায়োমেডিকেল বর্জ্য পরিচালনা করতে পারে এবং প্রায় ১৩০ টন পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপকরণ পুনরুদ্ধার করতে পারে। এটি স্বাস্থ্য ঝুঁকি এবং পরিবেশগত দূষণ হ্রাস করতে সাহায্য করবে।
পরিবেশ মন্ত্রীর মন্তব্য
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, শক্তি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, এই সুবিধাটি সম্পদ পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে বৃত্তীয় অর্থনীতির নীতি প্রচার করে এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলে এই ধরনের প্রকল্পের জন্য একটি মডেল হিসেবে কাজ করতে পারে।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আওয়াল মিন্টু ভার্চুয়ালভাবে বলেন, এই উদ্যোগটি জনস্বাস্থ্য এবং পরিবেশগত টেকসইতা শক্তিশালী করবে, বায়োমেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা উন্নত করবে।
জাতিসংঘের প্রতিনিধির মন্তব্য
বাংলাদেশে জাতিসংঘের রেসিডেন্ট কো-অর্ডিনেটর গিতাঞ্জলি সিং বলেন, এই প্রকল্পটি টেকসই স্বাস্থ্যসেবা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশগত সুরক্ষায় অংশীদারিত্বের মূল্য দেখিয়েছে।






























