কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুর রশিদ বলেছেন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে কীটনাশকের মান নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালী করতে হবে উৎস থেকেই। তিনি এই মন্তব্য করেন রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা পরিষদের অডিটোরিয়ামে খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) কর্তৃক আয়োজিত এক কর্মশালায়।
মন্ত্রী বলেন, কীটনাশক প্রায়শই ফসল কাটার আগে ব্যবহার করা হয়, যার ফলে খাদ্যে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের অবশিষ্টাংশ থাকে। তিনি বলেন, কৃষকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি কীটনাশক আমদানি, নিবন্ধন, মান যাচাই এবং অবতরণ বিন্দুগুলোতে কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কার্যকর করতে হবে।
নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের চ্যালেঞ্জ
আমিনুর রশিদ বলেন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন হল আগামী দিনগুলোতে কৃষিক্ষেত্রের বৃহত্তম চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে মানসম্পন্ন খাদ্যের চাহিদা বেড়েছে। বাংলাদেশকে অবশ্যই তার উর্বর মাটি, অনুকূল জলবায়ু, পর্যাপ্ত সূর্যালোক এবং বৃষ্টিপাত ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক মানের নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।
আন্তর্জাতিক বাজারে কৃষিপণ্যের সম্ভাবনা
কৃষিমন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে আম রফতানির জন্য আধুনিক এবং স্বাস্থ্যকর প্যাকিং সিস্টেম প্রবর্তনের ফলাফল ইতিবাচক হওয়ার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, একইভাবে কাঁঠাল, মাংস এবং অন্যান্য কৃষিপণ্যেরও আন্তর্জাতিক বাজারে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। রফতানি বৃদ্ধির জন্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, সংরক্ষণ এবং সরবরাহের প্রতিটি পর্যায়ে আন্তর্জাতিক মান এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের লক্ষ্য শুধুমাত্র কৃষি গবেষক, বিজ্ঞানী, সম্প্রসার কর্মকর্তা এবং ক্ষেত্রপর্যায়ের কর্মকর্তাদের যৌথ প্রচেষ্টায় পূরণ করা যাবে। তিনি যোগ করেন, আধুনিক, পরিবেশ বান্ধব এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য গবেষণা ভিত্তিক প্রযুক্তি দ্রুত কৃষকদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।





























