প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমানের নেতৃত্বে সরকার শহুরে ও গ্রামীণ এলাকার স্বাস্থ্য পরিষেবার ব্যবধান দূর করতে এবং প্রত্যেক নাগরিককে আধুনিক, মানসম্মত স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানে সহায়তা করতে ‘জাতীয় স্বাস্থ্য কার্ড’ চালু করবে বলে ঘোষণা করেছেন পোস্ট, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মহবুব আনাম।
ফকির মহবুব আনাম, যিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রীও, এই মন্তব্য করেন চীনের জিয়ানে অনুষ্ঠিত ‘ডিজিটাল ও ইন্টেলিজেন্ট ইন্টিগ্রেশন ফর হেলথ - টুওয়ার্ডস আ নিউ কোঅপারেটিভ ইকোসিস্টেম অ্যালং দ্য সিল্ক রোড’ অধিবেশনে। অধিবেশনে তিনি স্বাস্থ্য খাতে ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এর ভূমিকা তুলে ধরেন।
ফকির মহবুব আনাম বলেন, জাতীয় স্বাস্থ্য কার্ড চালু হওয়ার পর চিকিৎসকরা দেশের যে কোনো স্থান থেকে রোগীর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা রেকর্ড তাত্ক্ষণিকভাবে অ্যাক্সেস করতে পারবেন। এটি দ্রুত, নির্ভুল এবং আরও ভালোভাবে সমন্বিত রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা সম্ভব করবে।
তিনি বলেন, ‘এটি মাত্র একটি প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন নয়; এটি স্বাস্থ্য পরিষেবায় সমতা নিশ্চিত করার এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।’ তিনি যোগ করেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো দূরবর্তী নদীবহুল অঞ্চলের একজন রোগী এবং ঢাকার একটি আধুনিক হাসপাতালের রোগীকে একই মানের স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদান করা।’
মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার মানবকেন্দ্রিক একটি জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নীতিমালা তৈরি করছে, যা মানবাধিকার, নৈতিকতা, স্বচ্ছতা এবং সামগ্রিক উন্নয়নের ভিত্তিতে গড়ে উঠবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি সবসময় মানুষের কল্যাণে কাজ করবে এবং কোনো ব্যক্তিকে এআই-চালিত উদ্ভাবনের লাভ থেকে বঞ্চিত হওয়া উচিত নয়।
ডিজিটাল স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রসারের পাশাপাশি, সরকার নাগরিকদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য তথ্য রক্ষায় একটি শক্তিশালী ডেটা সুরক্ষা কাঠামো গড়ে তুলছে। ফকির মহবুব আনাম বলেন, ‘সুরক্ষিত এবং বিশ্বাসযোগ্য ডেটা ব্যবস্থাপনা ছাড়া একটি টেকসই ডিজিটাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থা অর্জন করা অসম্ভব।’






























