জাপানে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে চাইলে শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেই হয় না। জাপান সরকার পরিচালিত ‘স্টাডি ইন জাপান’ পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী, ভর্তি নিশ্চিত করা থেকে শুরু করে জাপানে আবাসন নিবন্ধন পর্যন্ত ধাপে ধাপে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।
যোগ্যতার সনদ (Certificate of Eligibility)
জাপানে দীর্ঘমেয়াদি পড়াশোনার জন্য নির্ধারিত অভিবাসন শর্ত পূরণের প্রমাণ হিসেবে যোগ্যতার সনদ গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থী বা তার জাপানে অবস্থানরত প্রতিনিধি আঞ্চলিক ইমিগ্রেশন সার্ভিস ব্যুরোর মাধ্যমে এই সনদের আবেদন করতে পারেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই এই প্রক্রিয়ায় প্রতিনিধির ভূমিকা পালন করে।
আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ
শিক্ষার্থীদের নিজেদের আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ দেখাতে হয়। ব্যাংক সঞ্চয়পত্র, আগের বছরের আয় সনদ এবং অর্থের উৎস–সংক্রান্ত নথি জমা দিতে হতে পারে। এসব নথি শিক্ষার্থী নিজে অথবা তাঁর আর্থিক অভিভাবকের নামে হতে পারে।
শিক্ষার্থী ভিসার জন্য নথিপত্র
যোগ্যতার সনদ পাওয়ার পর শিক্ষার্থীরা নিজ দেশের জাপানি দূতাবাস বা কনস্যুলেটে ভিসার আবেদন করতে পারবেন। তিন মাসের বেশি সময় জাপানে অবস্থানকারী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের একটি রেসিডেন্স কার্ড বা ‘জাইরিউ কার্ড’ দেওয়া হয়। জাপানে অবস্থানের সময় এই কার্ড সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক।
‘My Number’
জাপানে অবস্থানকারী বিদেশিদের একটি ১২ সংখ্যার সামাজিক নিরাপত্তা ও কর শনাক্তকরণ নম্বর দেওয়া হয়, যা ‘My Number’ নামে পরিচিত। স্থানীয় নিবন্ধনের পর এই নম্বর ইস্যু করা হয় এবং এটি প্রশাসনিক কাজ, ব্যাংকিং সেবা ও খণ্ডকালীন চাকরির নথিপত্রে ব্যবহৃত হয়।
অস্থায়ী দর্শনার্থী ভিসা
শুধু ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে জাপানে যেতে চাইলে শিক্ষার্থীদের Temporary Visitor Visa-এর আবেদন করতে হবে। জাতীয়তা ও ভিসার ধরন অনুযায়ী অস্থায়ী দর্শনার্থীরা ১৫, ৩০ অথবা ৯০ দিন পর্যন্ত জাপানে অবস্থান করতে পারেন।




















